হ্যাকিং ইন মোবাইল

হ্যাকিং ইন মোবাইল কী?

অাজকাল  ডেক্সটপ বা ল্যাপটপ কম্পিউটারের পরিবর্তে মোবাইলের ব্যবহার দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। মোবাইল দিয়ে অনেক কাজ অামরা খুব সহজেই করতে পারি। এরই সাথে হ্যাকাররাও হ্যাক করার জন্য বেছে নিয়েছে মোবাইল ডিভাইসগুলো। হ্যাকাররা যখন মোবাইল ডিভাইস থেকে তথ্য হ্যাক করে, তখন তাকে হ্যাকিং ইন মোবাইল বলে।

সাধারণত ৩ ধরণের প্লাটফর্ম বেশি হ্যাক হয়।

১) অ্যান্ড্রয়েড প্ল্যার্টফর্ম :

মোবাইল ডিভাইসের জন্য অ্যান্ড্রয়েড প্ল্যর্টফর্ম তৈরি করেছে গুগল। বেশিরভাগ ব্যবহারকারী নিয়মিত অপারেটিং সিস্টেম অাপডেট করে না। এজন্য তারা হ্যাকিংয়ের সম্মুখীন হয়। হ্যাকাররা বিভিন্ন প্ল্যার্টফর্ম ব্যবহার করে অ্যান্ড্রয়েড প্ল্যার্টফর্মে হ্যাক করে। এরকম একটি সফটওয়্যার হলো- এনড্রোরেট। এই সফটওয়্যারটি ইনস্টল করে রিমোটলি তখন মোবাইল অ্যাকসেস করতে থাকে। এর থেকে রক্ষা পেতে হলে- সবসময় স্ক্রিন লক ব্যবহার করতে হবে, কোনো কারণেই ডিভাইসকে রুট করা যাবে না, অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপসগুলো শুধু অফিসিয়াল সাইট থেকে ডাউনলোড করতে হবে, অপারেটিং সিস্টেম নিয়মিত অাপডেট দিতে হবে।

২) আইওএস প্ল্যার্টফর্ম :

অাইওস হলো একটি মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম। এই অপারেটিং সিস্টেমটি তৈরি করেছে অ্যাপল। হ্যাকাররা বিভিন্ন ধরনের অফার দিয়ে এসএমএস সেন্ড করে। সেই এসএমএসে ক্লিক করার সাথে সাথে একটি লিংক ওপেন হবে, যা ডিভাইসকে হ্যাক করার জন্য প্রস্তুত করে। এ থেকে রক্ষা পেতে – কখনো অাইওস ডিভাইসগুলো জেইলব্রেকিং করা যাবে না। অপরিচিত কোনো মোবাইল থেকে অাসা এসএমএসের লিংকে ক্লিক করা যাবে না।

৩) উইন্ডোজ প্ল্যার্টফর্ম :

উইন্ডোজ ফোন অপারেটিং সিস্টেমটি মাইক্রোসফট তৈরি করেছে। উইন্ডোজ ফোনে সাধারণত ডেভেলপার অপশন লক অবস্থায় থাকে। কিন্তু অামরা বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশন ইনস্টল করার সময় কিছু অপশন অাসে যে ডেভেলপার অপশনটি অানলক করতে হবে। যখন ডেভেলপার অপশন অানলক করবেন, তখন নিশ্চিত হ্যাকিংয়ের শিকার হবেন। এ থেকে রক্ষা পেতে- সবসময় স্ক্রিন লক ব্যবহার করতে হবে, প্রতিদিন অাপডেট করতে হবে, অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার করতে হবে, ডেভেলপার অপশনটি অানলক করা যাবে না।

 

(বি.দ্রঃ এই লেখাগুলো শুধুমাত্র অাপনাদের সচেতন করার জন্য। কেউ এগুলো জেনে হ্যাকিং করলে অামি দায়ী নই।)

Read More

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top