এফিলিয়েট মাকেটিংয়ের সঠিক গাইডলাইন নতুন ও পুরাতন সবার জন্য!!!

বর্তমানে বিশ্বে প্রায় সকল দেশেই অনলাইনে টাকা ইনকামের ব্যপারটি ছড়াছড়ি। কিন্তু দক্ষ এবং অভিজ্ঞতা সম্পুর্ন লোক ছাড়া বাকিরা এখান থেকে টাকা আয় করতে পারবেন না। অনলাইনে certificate এর কোন মূল্য নেই। এখানে শুধুমাত্র দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতার মূল্য দেওয়া হয়। অফলাইনে একটিভ ইনকামের চেয়ে অনলাইনে প্যাসিভ ইনকাম খুবই জনপ্রিয় এবং তুলনামূলক সহজ। তারমধ্যে অন্যতম একটি পদ্ধতি হলো এফিলিয়েট মাকেটিং। এই লেখাটি পড়লে আপনি এফিলিয়েট মাকেটিং সম্পর্কে খুটিনাটি বিষয়াদি জানতে পারবেন।

affiliate marketing bangla tutorial
affiliate marketing bangla tutorial

এফিলিয়েট মাকেটিং কি এবং কিভাবে কাজ করে ?

Affiliates marketing হচ্ছে কমিশন ভিত্তিক টাকা ইনকাম পদ্ধতি। মনে করুন আপনি আজাদ ভাইয়ের দোকানে ১২ জন কাস্টমার
ক্রেতা বা গ্রাহক এনে দিলেন। আজাদ ভাই তাদের কাছে তার দোকানের পণ্য বিক্রি করে  ২০,০০০ টাকা লাভ করলেন।এখন আপনি তার দোকানে কাস্টমার এনে দেওয়ার জন্য আজাদ ভাই আপনাকে লাভের ১২% টাকা মানে ২৪০০ টাকা দিলেন। আর এটাই হচ্ছে এফিলিয়েট মাকেটিং। আশা করি আপনি বুঝতে পারছেন।

তারপরও যদি না বুঝতে পারেন তাহলে অন্যভাবে বুঝনোর চেষ্টা করছি। আপনার নিজের কোন ধরনের পণ্য বা প্রোডাক্ট নেই আপনি অন্য কোম্পানির পন্য সামগ্রি বিক্রি করে টাকা ইনকাম করেন এটাকে এফিলিয়েট মাকেটিং বলে। পরিস্কার করে বুঝতে পারছেন? অনলাইনে এফিলিয়েট মাকেটিং করে আমাদের  বাংলাদেশের মধ্যে কিছু তরুণ প্রজন্ম হাজার হাজার ডলার বা লাখ লাখ টাকা ইনকাম করিতেছেন।

অবশ্যই কষ্ট এবং ধৈর্য ধারণ করতে হবে।

এফিলিয়েট মাকেটিংয়ের সকল ধরনের knowledge থাকতে হবে। যদিও সময় সাপেক্ষ কিন্তু একবার সফল হলে আজীবন চলতে পারবেন। মূলত এখানে ঝুঁকি নেই কিন্তুু সময়, অসীম ধৈর্য,কষ্ট,দক্ষতা,এবং অভিজ্ঞতা সম্পুর্ন ছাড়া সফল এফিলিয়েটার হওয়া যায় না। এটি এমন একটা প্লাটফর্ম যেটাতে পুজি কম কিন্তুু লাভ বেশি এবং খুব সহজেই করা যায়।পণ্যের মজুদ,ডেলিভারি,পেমেন্ট ইত্যাদি ঝামেলা নেই।

এফিলিয়েট মাকেটিং যেভাবে কাজ করে থাকে!

প্রধানত এখানে তিনটি পক্ষ কাজ করে থাকে। তারমধ্যে একজন হচ্ছেন মার্চেন্ট বা বিক্রেতা।অপর একজন কাস্টমার এবং অ্যাফিলিয়েটার বা পণ্য প্রোমোটর অথাৎ আপনি।যিনি মার্চেন্ট বা বিক্রেতা তিনি কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠানের পণ্য বিক্রয় করে থাকেন।আর কাস্টমার বা ক্রেতা
সেই সকল পণ্য বা সেবা ক্রয় করে থাকেন।এখন আপনার মনে প্রশ্ন আসতে পারে।

তাহলে আমার টাকা ইনকাম কিভাবে হলো কোথায় থেকে হলো তাই না?মার্চেন্ট বা বিক্রেতা সরাসরি পণ্য বিক্রি করে না তারা আপনার মত লাখ লাখ জনবল তাদের পণ্য বিক্রি করার জন্য নিয়োগ দিয়ে থাকে। তাদের ঐখানে আপনার নাম,ইমেইল আইডি,ঠিকানা দিয়ে একটা একাউন্ট তৈরি করতে হয়।তারপর তারা আপনাকে একটা লিংক দিবে সেই লিংকের মাধ্যমে যে কেউ যে কোন ধরনের একটা পণ্য কিনলেই আপনি নিদিষ্ট পরিমাণ একটা কমিশন পাবেন।

কেন এফিলিয়েট মাকেটিং করবেন?

এফিলিয়েট মাকেটিং করার অনেকগুলো কারণ রয়েছে। তারমধ্যে অন্যতম কারণ হচ্ছে এটির সুযোগ-সুবিধা বেশি। যার ফলে আজ বেশির ভাগই মানুষ এফিলিয়েট মাকেটিং করে।
আপনার বুঝার জন্য এফিলিয়েট মাকেটিংয়ের ১০ টি সুযোগ-সুবিধা ↓ নিচে দেওয়া হলোঃ-

(১) প্যাসিভ ইনকাম করা যায়।

(২) স্বাধীনতা থাকে বা মনের মত কাজ করা যায় আজ না হয় কাল কাল না হয় পরশু।

(৩) পণ্য মজুদ রাখতে হয় না এবং ডেলিভারি ঝামেলা নেই।

(৪) যথেষ্ট পরিমাণে হাতে সময় থাকে।

(৫) ওয়েবসাইট তৈরি না করেও এফিলিয়েট   মাকেটিং শুরু করা যায়।

(৬) ক্রেতা বা গ্রাহকের অভিযোগ,অভিশাপ, আইন ভেজাল ইত্যাদি সমস্যা তৈরি হয় না।

(৭) অথনৌতিক অবস্থা উন্নতি করা যায়।

(৮) প্রথমেই অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ে বেশি টাকা ইনভেস্ট করতে হয় না।এটি খুব অল্প  ব্যয়ে শুরু করা যায়।

(৯) আয়ের নির্দিষ্ট কোন নিয়ম বা সীমাবদ্ধতা নেই।আপনি যত বেশি সেলস জেনারেট করতে পারবেন, তত বেশি টাকা আয় করতে পারবেন।

(১০)এখানে আপনার নিজের কোন পণ্য বা সার্ভিসের প্রয়োজন পড়ে না। অন্যের পণ্য বিক্রি  করে কমিশন পাওয়া যায়।

এফিলিয়েট মাকেটিং করতে কি কি প্রয়োজন?

যেহেতু এটি একটি অনলাইনে টাকা ইনকাম পদ্ধতি। তাই আপনার কিছু রিসোর্স বা উপাদান
প্রয়োজন।যেগুলো প্রয়োগের মাধ্যমে আপনি এখান থেকে টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

(১) কম্পিউটার অথবা ল্যাবটপ বা মোবাইল ফোন ইত্যাদি।

(২) মেগাবাইট বা MB

(৩) অসীম ধৈর্য,দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা এবং সময়।

(৪)ডোমেইন নাম এবং হোস্টিং।

(৫) ভালো কনটেন্ট যেগুলো পণ্যের ওপর ভিত্তি প্রতিষ্ঠিত করে।যেন কনটেন্টগুলো পণ্যের সাথে মিলে যায়।

(৬)কনটেন্ট ভিওিক ভিডিও,ছবি, এবং তার নিচে ওই সম্পকে পণ্যের লিংক।

(৭)On Page SEO ***

(৮)Off Page SEO ***

(৯) প্লাগিন ও থিম

(১০)টেম্পলেট

(১১) Backlink

(১২)ডিজাইন ও ডেভলোপিং

(১৩)পরিশ্রম

(১৪) অল্প টাকা ইনভেস্ট

(১৫) ওয়েবসাইট মাকেটিং ইত্যাদি

বিঃদ্রঃ ওয়েবসাইট তৈরি না করেও এফিলিয়েট মাকেটিং করতে পারবেন এবং উপরে উল্লেখ করা রিসোর্স ছাড়াও আরও অনেক কিছু লাগতে পারে।তবে এই তিনটি অবশ্যই লাগবে।

(১) কম্পিউটার অথবা ল্যাবটপ বা মোবাইল ফোন ইত্যাদি।

(২) মেগাবাইট বা MB

(৩) অসীম ধৈর্য,দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা এবং সময়।

কোথায় থেকে এফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করবেন।

সবাই পছন্দ করে টাকা ইনকাম করতে কিন্তু সঠিক গাইডলাইন অনুসরণ ও যথাযথ জ্ঞানের অভাবে অনেকেই সফলতা অর্জন করতে পারে না। ফলে আগ্রহ হারায় এবং পিছিয়ে পরে।আর তাই এই টিপস গুলো একজন বিগিনার এফিলিয়েট মাকেটারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।এখানে নতুন মাকেটারদের বুঝানোর চেষ্টা করা হয়েছে যে, তারা কোন সময় এবং এফিলিয়েট মাকেটিংয়ের শুরুটা কীভাবে করবে। যেহেতু আপনি এফিলিয়েট

মাকেটিং এ নতুন তাই আপনাকে অবশ্যই রিসোর্সের কথা মনে রাখতে হবে সেগুলো আপনার আছে কি নাই? যাই হোক আপনার নিশ্চয়ই একটি Android phone আছে তো এখন এটি দিয়েই শুরু করুন। তারপর আস্তে আস্তে সব কিছু জানবেন ও বুঝতে পারবেন।আর তখন না হয় যা যা লাগে সংগ্রহ করে পুরোপুরি এফিলিয়েট মাকেটিং পেশা বা নেশা হিসেবে নিলেন। কথায় আছে নাই মামার চেয়ে কানা মামা ভালো। এটার মানে হলো কিছু না

থাকার চেয়ে কিছু থাকা ভালো। প্রথমেই ভালো নেটওয়ার্ক পায় এমন মোবাইলের সিমে ১ বা ২ জিবি এমবি ক্রয় বা কিনে নিন।তারপর আন্ত জার্তিক এফিলিয়েট মাকেটিং ওয়েবসাইট এ একটি একাউন্ট তৈরি করুন। যেমনঃ- Amazon, Ebay,Click Bank, market health affiliates programme.এর মধ্যে থেকে যে কোন একটি নির্বাচন করুন এবং তাদের পণ্যের লিংক শেয়ার করুন। আপনি যে উদ্দেশ্য বা নিশ অথবা বিষয় নিয়ে কাজ করতে চান তার

উপর নির্ভর করে একটা ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করে ডেস্কক্রিবসন বক্স এ লিংক দিন।অথবা লেখা লেখির অভ্যাস থাকলে লেখা শেয়ার করুন এবং লেখার মধ্যে আপনি আপনার পণ্যের লিংক দিয়ে আসুন।তারপর ঐ লিংকটা বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করতে হবে। তাহলে একটি পণ্যের লিংক শেয়ার হলো ৩ বার ৩ জায়গায়। এখন এই লিংকে ক্লিক করে কেউ ঐ পণ্য কিনলেই আপনি নিদিষ্ট পরিমাণ একটা টাকা ইনকাম করতে পারবেন। আশা করি আপনি বুঝতে পেরেছেন।

আর যদি আপনার একটি ওয়েবসাইট থাকে তাহলে আপনি গুগল এডসেনস ও এফিলিয়েট মাকেটিং একসাথে করুন। কারণ হিসেবে আমি বলবো যে,এই ২টির মধ্যে একটিতে আপনি অবশ্যই সফলতা অর্জন করতে পারবেন। আর মাসে কমপক্ষে $ ২০০ ডলার থেকে ৩০০ ডলার ইনকাম করতে পারবেন বা আরও বেশি। সবচেয়ে বেশি ভালো হবে আপনি এরুপ এফিলিয়েট মাকেটিং করে যে,সফলতা অর্জন করেছেন তার সাথে কথা বলে পরামর্শ নেওয়া। তা না হলে অনলাইনে সার্চ করে জানতে হবে।

নিশ কি এবং কেন প্রয়োজন?

নিশ মানে হলো একটি নিদিষ্ট পণ্য বিক্রি করা বা নিদিষ্ট কোন বিষয় নিয়ে কাজ করা।যেমন- টেকনোলজি,হেল্থ, বিউটি, খেলনা ইত্যাদির কোন নিদিষ্ট পণ্য বিক্রি করা। নিশের মধ্যে আবার অনেক গুলো সাব ক্যাাটাগরী রয়েছে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায় হেল্থ নিশের কথা এখানে অনেক গুলো পণ্য থাকলেও ওয়েট লস পণ্যটি একটি সাব নিশ। নিশ অনুযায়ী এফিলিয়েট মাকেটিং করলে খুব তাড়াতাড়ি লাভবান হওয়া যায়। কিন্তুু একসাথে অনেক

গুলো পণ্য নিয়ে কাজ করলে বেশি sell করা যায় না। আর আপনি বেশি বিক্রি করতে না পারলে বেশি টাকাও ইনকাম করতে পারবেন না।তাছাড়াও মনে করুন আপনি টেকনোলজি বিষয়ে অভিজ্ঞতা সম্পুর্ন এখন আপনি যদি বিউটি বিষয়ে এফিলিয়েট মাকেটিং করেন তাহলে কি সফলতা অর্জন করতে পারবেন? তাই শুরুতেই নিশের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া উচিৎ। তাহলে কাজ করতে করতে সুবিধা হবে এবং খুব তাড়াতাড়ি সফলতাও আসবে।

এফিলিয়েট মাকেটিং ওয়েবসাইটের ডোমেইন নাম এবং হোস্টিং কেমন হওয়া উচিৎ।

একটি এফিলিয়েট মাকেটিং ওয়েবসাইটের ডোমেইন নাম অবশ্যই অবশ্যই Top level হওয়া উচিৎ। ডোমেইন নামগুলো শ্রুতিমধুর রুচিসম্মত এবং মানানসই ভারসাম্যপূর্ণ হতে হবে।কারণ আপনি এফিলিয়েট মাকেটিং করেন মোটর সাইকেল সম্পর্কিত পণ্য নিয়ে। এখন আপনি যদি ডোমেইন নাম ক্রয় করেন www.Shahidulbike.com তাহলে কিন্তু লোকজন গুগল সার্চ ইঞ্জিনে আপনার ওয়েবসাইট খুঁজলে পাবে না।আর তাছাড়াও

এই ধরনের ওয়েবসাইট সার্চ ইঞ্জিনে জনপ্রিয়তা পায় না। এই ধরনের ওয়েবসাইটের নাম হওয়া উচিৎ www.bestbike.com বা www. topbike.com অথবা nicebike.com ইত্যাদি। আর হে অবশ্যই ডট কম, ডট ORG, ডট নেট দিয়ে ডোমেইন নাম ক্রয় করবেন। এগুলোর মধ্যে ডট কম সবচেয়ে বেশি ভালো। আপনি যদি এগুলো খুজে না পান তাহলে eu,ezy,
in,erc xyz এসব ভুল করেও ক্রয় করবেন না। তাহলে আপনি সফলতা অর্জনে ব্যর্থ হবেন।

এবার আশা যাক হোস্টিং বিষয়ে মূলত হোস্টিং
স্পেস বিভিন্ন ধরনের ওয়েবসাইটের বিভিন্ন রকমের হয়ে থাকে। শুরুতেই বেশি হোস্টিং
স্পেস ক্রয় না করে যতটুকু প্রয়োজন ঠিক ততটুকুই ক্রয় করা উচিৎ। পরে প্রয়োজন হলে বাড়ানো যাবে। ডোমেইন নাম এবং হোস্টিং ক্রয় করার পূর্বে অবশ্যই আপনি লোডিং স্পীড, সার্ভারের আপ টাইম, সার্ভিস বা তাদের সেবা কেমন দেখে তারপর ক্রয় করবেন। কথায় বলে ভাবীয়া করিও কাজ করিয়া ভাবীও না।

পেসিভ ইনকাম কি এবং কিভাবে কাজ কাজ করে?

ইনকাম দুই ধরনের হয়ে থাকে।একটিভ ইনকাম এবং পেসিভ ইনকাম। একটিভ ইনকাম হচ্ছে যে ইনকামগুলো চলমান। যেমনঃ- চাকরি করে মাস শেষে বেতন পাওয়া,ব্যাবসা করে দৈনিক হিসাব করা ইত্যাদি। আর পেসিভ ইনকাম হলো ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে টাকা ইনকাম করা। অথাৎ আপনি কাজ না করলেও টাকা ইনকাম হচ্ছে বা করিতেছেন।মানে হলো আপনি লিংক শেয়ার করে রাখলেন আর কেউ সেখানে ক্লিক করে পণ্য কিনলো আর আপনি কমিশন পেলেন। এক সপ্তাহ পরে আপনার এফিলিয়েট একাউন্টে গিয়ে দেখলেন টাকা জমা হয়ে আছে। আর যতবেশি পণ্য বিক্রি করতে পারবেন ততবেশি কমিশন পাবেন।

কোন ওয়েবসাইট এ কিভাবে  এফিলিয়েট মাকেটিং করবেন।

বিশ্বের মধ্যে এমাজন এফিলিয়েট মাকেটিং ওয়েবসাইট সবচেয়ে বৃহৎ এবং জনপ্রিয়। এখানে ২৪ ঘন্টায় ২ কোটিরও বেশি পণ্য বিক্রি হয়ে থাকে। এখানে নিদিষ্ট সময়ে পণ্য বিক্রি না করতে পারলে একাউন্ট বন্ধ হতে পারে। তাই শুরুতেই Click Bank অথবা মাকেট হেল্থ এফিলিয়েট মাকেটিং ওয়েবসাইট এ একাউন্ট তৈরি করে এফিলিয়েট মাকেটিং করুন। এখানে C P A, C P C, C P S, সবচেয়ে বেশি এবং টাকা  আয়ও বেশি। একাউন্ট তৈরি করতে ক্লিক করুন www.markethealth.com

একটি এফিলিয়েট ওয়েবসাইটের মাকেটিং কিভাবে করতে হবে?

আপনার যদি যে কোন একটা নিশ রিলেটেড এফিলিয়েট মাকেটিং ওয়েবসাইট থাকে।তাহলে আপনি নিশ্চয়ই ভিজিটর আনার জন্য উপায় খুজিতেছেন। আপনার অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং ওয়েবসাইটের মার্কেটিং করতে হলে অবশ্যই আপনার একটি ইউটিউব চ্যানেল অথবা সোশ্যাল মিডিয়া পেজ যেমন ফেসবুক, টুইটার,৷ Linkedin,pinterest,ইনস্টাগ্রাম ইত্যাদি থাকতে হবে। তবে এগুলো বাধ্যতামূলক নয়। কিন্তুু আপনার কাছে যত বেশি চ্যানেল বা মিডিয়া থাকবে,আপনি তত বেশি মার্কেটিং এর সুযোগ পাবেন।অবশ্যই আপনার মাধ্যমগুলোতে প্রচুর পরিমানে ভিজিটরদের সম্পৃক্ততা থাকতে হবে।তাহলেই আপনি অনায়সে সেল বৃদ্ধি করতে পারবেন। আর ভিজিটর আনতে গেলে আপনাকে ডিজিটাল মার্কেটিং জানতে হবে।
উদাহরণ স্বরুপ- SEO বা সার্চ ইঞ্জিন অপটি মাইজেশন সোশ্যাল মিডিয়া এবং ইউটিউব মার্কেটিং।এই সকল মাধ্যম গুলোতে নিয়মিত কাজ করতে হবে। তবেই সেল বৃদ্ধি হবে।মূলত
ট্রাফিক জেনেরেটের করার জন্য দুইটি উপায় আছে। উপায়গুলো হলোঃ-

১।ফ্রি মেথড বা অর্গানিক মেথড

২। পেইড মেথড।

আপনি নিচের টিপসগুলো ফলো করতে পারেন

(১) আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইটের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এবং হোয়াইট হেড এ সি ও মানের কনটেন্ট তৈরি করুন।

(২) ইউটিউব চ্যানেলের হলে ভাল মানের ভিডিও আপলোড করতে হবে।

(৩) সকল ধরনের সোশ্যাল মিডিয়ায় নিয়মিত পোস্ট করতে হবে।

(৪) ইমেইল মাকেটিং

কিভাবে আপনি এফিলিয়েট মাকেটিংয়ের ডলার বা টাকাগুলো উইথড্র করবেন?

অনেকেই এফিলিয়েট মাকেটিং করে লাখ লাখ টাকা ব্যাংকে উইথড্র দিচ্ছে। মূলত বিশ্বের বিভিন্ন সফল এফিলিয়েট মাকেটাররা পেপাল, প্যাওনিয়ের মত ইন্টারন্যাশনাল একাউন্ট দিয়ে তাদের এফিলিয়েট মাকেটিং একাউন্ট থেকে ইনকামের টাকাগুলো উইথড্র করে থাকেন।আপনিও খুব সহজেই তাদের মত আপনার ইনকামের ডলার বা টাকাগুলো তুলতে পারবেন।আপনার যদি এসকল একাউন্ট না থাকে তাহলে,আপনি ইউটিউবে ভিডিও দেখে অথবা গুগলে সার্চ করে জেনে নিন কিভাবে একাউন্টটি তৈরি করতে হবে বুঝতে পারছেন।

এফিলিয়েট মাকেটিং ওয়েবসাইট কি ইংরেজিতে তৈরি করবেন নাকি বাংলা ভাষায়?

এফিলিয়েট মাকেটিং ওয়েবসাইট ইংরেজি কনটেন্ট দ্বারা তৈরি করা সবচেয়ে ভালো। কিন্তুু সবাই তো আর ইংরেজিতে কনটেন্ট লিখতে পারে না। আর ইংরেজি কনটেন্ট কিনতে গেলে টাকা খরচ হবে অনেক। আজ যারা সফল এফিলিয়েট মাকেটার তারা কিন্তুু ঠিকই ইংরেজি বেস কনটেন্ট লিখে ইনকাম করেছেন।আপনি যেহেতু ইংরেজি বুঝতে এবং লিখতে পারেন না কিংবা অল্প অল্প বুঝতে ও লিখতে পারেন। তাই আমি বলবো বাংলা ভাষার কনটেন্ট বা ব্লগ তৈরি করুন। কারণ আপনি খুব তাড়াতাড়ি সফলতা অর্জন করতে পারবেন।

সাধারণ কিছু প্রশ্নাবলী এবং তার উত্তর ।

প্রশ্নঃ ভাইয়া এফিলিয়েট মাকেটিং ওয়েব সাইট কোন ধরনের হলে বেশি ভালো হবে?

উত্তরঃ- যে কোন পণ্য রিভিউ বেস ওয়েব সাইট তৈরি করলে।আর হে অবশ্যই ভালো ভালো কনটেন্ট লিখে প্রকাশ করবেন। তাছাড়াও টেকনোলজি বিষয় আরও ভালো।

প্রশ্নঃ আমাজন এফিলিয়েট ওয়েবসাইটের প্রোডাক্ট ইমেজ কোথায় থেকে নেওয়া উচিৎ?

উত্তরঃ সব সময়ই পরিস্কার করে মনে রাখবেন যে,এমাজন এফিলিয়েট একাউন্ট তৈরি করার পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত আপনি Old School hethods বা আমাজনের যে কোন প্রোডাক্ট এর ইমেজ ডাউনলোড করে রি-সাইজ করে ব্যবহার করতে পারবেন।কিন্তুু একাউন্ট তৈরি করার পরে অবশ্যই আপনাকে Site Stripe বা Amazon imaze inserter দিয়ে ইমেজ ব্যবহার করতে হবে । Amazon imaze inserter দিয়ে ইমেজ ব্যবহার করতে হলে API এর প্রয়োজন হবে।আর API শুধুমাএ এমাজনে একাউন্ট তৈরি করার পরে পাওয়া যায়। আশা করি আপনি সম্পুর্ণ পরিষ্কার করে বুঝতে পারছেন।

প্রশ্নঃএফিলিয়েট মাকেটিংয়ের প্রোডাক্ট বা পণ্য সার্চ করার সঠিক উপায় জানালে উপকৃত হব?

উত্তরঃ  Best + Niche
Niche + Review
Niche + To Buy
Niche + Buy Now

এই সূত্র ফলো করে সার্চ করলে যদি সার্চ ভলিউম ৭০০- ১৫০০ অথবা ৮০০-১৬০০ এর ভিতরে থাকে তাহলে আপনি সেই প্রডাক্ট নিয়ে কাজ করতে পারেন।আর যদি কম বা বেশি হয় তাহলে অন্য পণ্য প্রতিটা ক্যাটাগরি ধরে ধরে সার্চ করবেন যতক্ষন পর্যন্ত আপনার পছন্দের কিওয়ার্ড খুঁজে না পান।বিঃদ্রঃ এখানে নিশ হলো আপনার পছন্দের প্রোডাক্ট বা পণ্য।

প্রশ্নঃKeyword Research এর ক্ষেত্রে Difficulty চেক করার জন্য কোন টুলস ভালো হবে?

উত্তরঃ নিশ্চয়ই Ahrefs।কারণ এখানে আপনি নির্ভরযোগ্য ডাটা পাবেন।

প্রশ্নঃফ্রিল্যান্সিং নাকি এফিলিয়েট মার্কেটিং কোনটা করবো?

উত্তরঃ ফ্রিল্যান্সিং করতে হলে প্রচুর পরিমানে বিড বা প্রতিযোগিতা করতে হবে। আর অপর পক্ষে এফিলিয়েট মাকেটিং সহজ পদ্ধতি এবং লাভজনক ও জনপ্রিয়। তাই এটা করাই ভালো হবে। আশা করি বুঝতে পারছেন।

প্রশ্নঃকিভাবে বেশি বেশি সেল জেনারেট করতে পাড়ি?

উত্তরঃ ওয়েবসাইট থাকলে অবশ্যই অবশ্যই কিওয়াড রিসার্চ করুন।সেই সকল কিওয়াড রিসার্চ করে বের করুন যে সকল কিওয়াড
পণ্য ভিওিক এবং বিক্রি হয় বেশি। তারপর ঐ লেখার ঠিক মাঝখানে প্রডাক্টের লিংক প্রভাইড করুন।দেখবেন সেল বৃদ্ধি পাচ্ছে।

প্রশ্নঃএকটি এফিলিয়েট মাকেটিং ওয়েবসাইটের কি ধরনের থিম নির্ধারন করা উচিৎ?

উত্তরঃ আপনার ওয়েবসাইটের সৌন্দর্য বৃদ্ধির মত থিম নির্ধারন করুন।আপনি Astro pro, Digital, ইত্যাদি ব্যাবহার করতে পারবেন।

প্রশ্নঃএফিলিয়েট মাকেটিং করে আমি কত টাকা ইনকাম করতে পারবো?

উত্তরঃ এটা আপনার পরিশ্রম,ধৈর্য,সময়, টেকনিক, ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা, ইত্যাদির উপর নির্ভর করে।আপনি যদি ভাল-ভাবে এফিলিয়েট মার্কেটিং এর দিকগুলো আয়ত্ত করতে পারেন।তাহলে মাসে কয়েক শ ডলার থেকে কয়েক হাজার ডলার পর্যন্ত আয় করতে পারবেন।

প্রশ্নঃআমার একটা এমাজন এফিলিয়েট ওয়েবসাইট আছে আমি কিভাবে বেশি বেশি সেল বৃদ্ধি করতে পাড়ি?

উত্তরঃ আপনার সেল বাড়ানোর সবচেয়ে ভাল উপায় হচ্ছে কনভার্সন রেট অপ্টিমাই জেশন নিয়ে কাজ করা।আর এটা করতে হলে আপনি অ্যাফিলিয়েট লিংক স্টান্ডআউট করুন এবং ক্লিকেবল এরিয়াগুলোতে বেশি বেশি লিংক ইমপ্লিমেন্ট করুন ও অ্যাফিলিয়েট টেক্সট কপিরাইটিং নিয়ে কাজ করা উচিৎ।

আমি আশা করি আপনার যারা এফিলিয়েট মাকেটিং এ নতুন এবং পুরাতন সবাই কিছুটা হলেও এফিলিয়েট মাকেটিং সম্পর্কে বুঝতে
পারছেন।তারপরও যদি কোন ধরনের সমস্যা মনে করেন কমেন্ট করুন আমি উত্তর দিতে চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ। প্লিজ শেয়ার করুন।

Read More

1 thought on “এফিলিয়েট মাকেটিংয়ের সঠিক গাইডলাইন নতুন ও পুরাতন সবার জন্য!!!”

  1. আপনি অনেক সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করেছেন। অনেক সুন্দর ভাবে গুছিয়ে লিখেছেন।দ ধন্যবাদ এতো সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করার জন্য। আশা করি আরো সুন্দর সুন্দর ব্লগ আমাদের উপহার দিবেন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top