ব্লুটুথ (Bluetooth) কী ও ব্লুটুথ এর ইতিহাস। সম্পুর্ণ তথ্য বাংলায়।

আমরা অনেকেই বিভিন্ন ডেটা আদান-প্রদান করার ক্ষেত্রে ব্লুটুথ ব্যবহার করে থাকি। কারণ বর্তমানে সব মোবাইল ফোনেই ব্লুটুথ সংযোগ থাকে।

আজ আমরা জানব, ব্লুটুথ (Bluetooth) কী ও ব্লুটুথ এর ইতিহাস। সম্পূর্ণ তথ্য বাংলায়।

ওয়্যারলেস নেটওয়ার্কিং জগতে ব্লুটুথ হচ্ছে এমন একটি পদ্ধতি যা স্বল্প দূরত্বের মধ্যে তারবিহীনভাবে দুটি ডিভাইসের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান করে থাকে। আবার, ব্লুটুথকে তারবিহীন পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা (WPAN) প্রটোকল বলা হয়ে থাকে। প্রযুক্তিগতভাবে ব্লুটুথ (IEEE 802.15) নামে পরিচিত।

bluetooth

যেমন : মনে করি, তোমার বন্ধুর মোবাইলে একটি ছবি বা ভিডিও আছে। তা তুমি, ইন্টারনেট ব্যবহার না করে ছবিটি বা ভিডিওটিকে তোমার মোবাইল ফোনে আনতে চাও। যদি তোমাদের দুজনের মোবাইলে ব্লুটুথ থাকে তাহলে তুমি ব্লুটুথ ব্যবহার করে ছবিটি বা ভিডিওটিকে তোমার মোবাইলে আনতে পারবে।

বর্তমানে স্মার্টফোন, সাধারণ ফোন, ল্যাপটপ, ট্যাব এসব ডিভাইসে ব্লুটুথ প্রযুক্তিসহ আগে থেকে দেওয়া থাকে। তাছাড়া, এখন মাউস, কি-বোর্ড, হেডফোন, স্পীকার ইত্যাদিতে ব্লুটুথ ব্যবহার করা হচ্ছে। এতে স্বল্ব দূরত্বের মধ্যে থেকে একটি ডিভাইস অন্য একটি ডিভাইসে সঙ্গে যুক্ত হতে পারছে। ব্লুটুথ এর নিরাপত্তা ব্যবস্থা কম হলেও ব্লুটুথ ব্যবহার হয়।

টেলিকম ভেন্ডর কোম্পানি এরিকসন ১৯৯৪ সালে ব্লুটুথ (Bluetooth) উদ্ভাবন করে। মূলত, ব্লুটুথ (Bluetooth) নামকরণ করা হয় ডেনমার্কের রাজা হ্যারোন্ড ব্লুটুথ (Harald Bluetooth)-এর নাম অনুসারে।

সাধারণত, ব্লুটুথ সর্বোচ্চ ১০ মিটারের কাছাকাছি দুটি ডিভাইসকে সংযোক্ত করতে পারে। ব্লুটুথ এর মাধ্যমে যে নেটওয়ার্ক তৈরি হয় তাকে পিকোনেট (Piconet) বলে। ব্লুটুথ 2.45 GHz ফিকোয়েন্সিতে কাজ করে। যার কারণে ব্লুটুথ এর ডেটা ট্রান্সমিশন রেট প্রায় 1Mbps বা তার বেশি হয়ে থাকে। অর্থ্যাৎ বোঝা যায় যে ব্লুটুথের ডেটা ট্রান্সমিশন রেট কম। ব্লুটুথ একসাথে সর্বোচ্চ ৮টি ডিভাইসের সাথে ডেটা-আদান প্রদান করতে পারে।

ব্লুটুথ এর যেমন সুবিধা রয়েছে। আবার ব্লুটুথ এর কিছু অসুবিধাও রয়েছে।

ব্লুটুথ এর অসুবিধাগুলো কী কী?

মূলত ব্লুটুথ এর ডেটা ট্রান্সফার রেট কম। যার ফলে ডেটা ট্রান্সফার করতে অনেক সময় ব্যয় হয়। মোবাইলে ব্লুটুথ চালু থাকলে ব্যাটারির চার্জ খরচ হয়।

শেষ কথা, ব্লুটুথ এর কিছু অসুবিধা থাকলেও ব্লুটুথ আমার অনেক কাজ সহজ করে দিয়েছে।

ব্লুটুথ ব্যবহার করে আপনি কতটা উপক্রিত হচ্ছেন তা কমেন্ট করে জানান। এই লেখাটি আপনার বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করে তাদের ব্লুটুথ সম্পর্কে জানার সুযোগ দিন।

ধন্যবাদ।

Read More

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top