পাই নেটওয়ার্ক কি ? পাই নেটওয়ার্কে একাউন্ট খোলার নিয়ম

পাই নেটওয়ার্কঃ

পাই একধরনের ক্রিপ্টোকারেন্সি বা ডিজিটাল মুদ্রা যা স্ট্যানফোর্ড পিএইচডি গ্রাজুয়েট দ্বারা নির্মিত একধরনের  কারেন্সি ।এটি  আপনি আপনার ফোন থেকে মাইনিং(বা উপার্জন) করতে পারবেন।
ক্রিপ্টোকারেন্সি কি?
ক্রিপ্টোকারেন্সিগুলি ডিজিটাল অর্থের নতুন রূপ যা সরকার বা ব্যাংকগুলির পরিবর্তে কোনও সম্প্রদায় দ্বারা রক্ষণ ও সুরক্ষিত থাকে।ক্রিপ্টোকারেন্সি দিয়ে আপনি অনলাইনে কেনাকাটা করতে পারবেন অথবা এর সাহায্যে মুদ্রা বিনিময় করে সেই মুদ্রা তুলে নিতে পারবেন।বিটকয়েন একধরনের ক্রিপ্টোকারেন্সি।
পাই এবং বিটকয়েনের মধ্যে কি?
পাই এবং বিটকয়েনের মধ্যে তেমন পার্থক্য নেই।তবে বর্তমানে 1 বিটকয়েন উপার্জন করার জন্য লক্ষ লক্ষ টাকা প্রয়োজন।অন্যদিকে,পাই আপনি বর্তমানে ফ্রিতেই মাইনিং(বা উপার্জন) করতে পারবেন।
পাই কেন উপার্জন করবেন?

বিভিন্ন বিশেষজ্ঞদের মতে এটি ভবিষ্যৎ এ অন্যতম অত্যধিক পরিমাণে বিনিময়কারী ডিজিটাল মুদ্রা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।তবে বর্তমানে এটির বাজার মূল্য শুন্য যেমনটি বিটকয়েন ছিল ২০০৮ সালে।অর্থাৎ ২০০৮ সালে শুরুর দিকে বিটকয়েনের মূল্য ছিল শুন্য কিন্তু বর্তমানে এর মূল্য লক্ষাধিক টাকায় পারিণত হয়েছে।
আপনি বর্তমানে পাই মাইনিং বা(উপার্জন)  ফ্রিতেই করতে পারবেন। ভবিষ্যতে যখন এটি মার্কেটে ছাড়া হবে তখন আপনার উপার্জনকৃত পাই ব্যবহার করতে পারবেন।
পাই কিভাবে উপার্জন করবেন?
পাই উপার্জন করা একদমই সহজ।আপনি পাই এপস এ একাউন্ট করার পর 24 ঘন্টা পরপর শুধু একবার ঢুকবেন এবং নিচের চিত্রের মতো সবুজ অংশে ক্লিক করবেন,তারপর বের হয়ে আসবেন।
তাহলে আপনার পাই অটোমেটিক মাইনিং(বা উপার্জন) হবে।এছাড়া আপনি রেফার করেও পাই উপার্জন করতে পারবেন।
পাই মাইনিং(বা উপার্জন)  করার জন্য আপনার সারাক্ষণ ডাটা চালু রাখার প্রয়োজন নেই এবং এটি আপনার ফোনের ব্যাটারির চার্জও শেষ করবে না।এটি তো আপনি ফ্রিতে উপার্জন করতে পারছেন।তাহলে এত বড় সুযোগ হাতছাড়া করবেন কেন??
পাই এর ভবিষ্যৎ??

১/”পাই নেটওয়ার্ক” প্রজেক্ট শুরু হয়েছে এখনও দুই বছর হয়নি আর ইতিমধ্যে এটি ১ কোটির উপর এনগেজড মেম্বার অর্জন করে ফেলেছে যেটা যেকোনো ক্রিপ্টোকারেন্সি কমিউনিটির জন্য হিউজ একটা মাইল-স্টোন। এতো বড় কমিউনিটি ক্রিপ্টোকারেন্সি মাইনিং প্লাটফর্মে খুবই কম আছে।

২/ প্রায় ১৭৫+ দেশ থেকে বিভিন্ন কালচার আর ভাষার মানুষ প্রতিদিন শুধুমাত্র নিজেদের স্মার্টফোন দিয়ে খুব সহজে “পাই” কয়েন মাইনিং করছে আর ফিউচারে ভালো লাভের আশায় সেটা জমাচ্ছে।

৩/ ইথিরিয়াম,যেটা বিটকয়েন পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ জনপ্রিয় ক্রিপ্টোকারেন্সি আর এটার “নেটওয়ার্ক নোড” আছে মাত্র সাত হাজারের মতো। যেখানে পাই নেটওয়ার্ক এর মতো একটা তরুণ ক্রিপ্টোকারেন্সি যেটা এখনও কোনো এক্সচেঞ্জে লিস্টেড হয় নি, সেটার টোটাল “নেটওয়ার্ক নোড” সংখ্যা ৬০ হাজারের চেয়েও বেশী!

৪/ পাই নেটওয়ার্ক এর নির্মাতা “কোর টিম” বিখ্যাত স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এবং তারা ব্লকচেইন টেকনোলজির উপর বিশেষজ্ঞ। আর ডক্টর নিকোলাস ককালিস তো স্ট্যানফোর্ড এর ফাস্ট “decentralized applications class” এর ইন্সট্রাক্টর।

৫/ কোনো রিজেকশন না পেয়েই, প্লে-স্টোর এবং এপ স্টোরের মতো দুইটা জায়ান্ট স্টোরে ইতিমধ্যে আপলোড হয়েছে। “পাই নেটওয়ার্ক” এপ প্লে-স্টোরে টোটাল ডাউনলোড এর সংখ্যা ১০ মিলিওন অতিক্রম করেছে।(ফটো)

এছাড়া বিভিন্ন এডভারটাইজমেন্ট থেকে রেভিনিউ ইত্যাদি বৈশিষ্ট্য বা সাফল্য একমাত্র এটাই নির্দেশ করে “পাই কয়েন” সামনের দিনে একটা গ্লোবাল ক্রিপ্টোকারেন্সি হবার পথে নিশ্চিতভাবে এগিয়ে যাচ্ছে আর এটার জনপ্রিয়তা দিনকে দিন বেড়েই যাচ্ছে।

 পাই কবে মার্কেটে ছাড়বে??

পাই বর্তমানে ডেভেলপিং পর্যায় অর্থাৎ ফেজ-2 রয়েছে।ফেজ- 3 চালু হলে এটি মার্কেটে ছাড়া হবে।

পাই একাউন্ট খোলার নিয়মঃ

শুরুতে আপনি ” Pi Network” এপ্পস গুগুল প্লে স্টোর বা অন্য কোনো এপ্প স্টোর থেকে ডাউনলোড করে নিন।

তারপর এপ্পস ওপেন করুন এবং নিম্নোক্ত পদ্ধতি অনুসরণ করুন,

১/ শুরুতে নিচের চিত্রটি দেখতে পারবেন।এখানে আপনি আপনার ফেসবুক আইডি(আসল আইডি হতে হবে) অথবা ফোন নম্বর দিয়ে আপনার আইডেন্টেটি ভেরিফাই করুন।

2/এরপর নিচের চিত্রটি দেখতে পারবেন।এখানে ফোন নম্বর দিয়ে ভেরিফাই করা আছে বিধায় আপনি আপনার কান্ট্রি নাম সিলেক্ট করুন।অবশ্যই একজন বাংলাদেশী হিসেবে “বাংলাদেশ সিলেক্ট করুন”।

৩/এরপর নিচের চিত্র মতো পাসওয়ার্ড দিন এবং ভেরিফাই পাসওয়ার্ড অপশনে আবার আপনার পাসওয়ার্ড দিন।

৪/এরপর নিচের চিত্রের মতো ফার্স্ট নেম,লাস্ট এবং ইউজারনাম দিন(এটি ইচ্ছা মতো দিতে পারবেন)।তবে খেয়াল রাখবেন ফার্স্ট নাম এবং লাস্ট নাম যেন আপনার পাসপোর্ট, জাতীয় পরিচয় পত্র, ড্রাইভিং লাইসেন্সের অনুরূপ অথবা আসল নাম হয় এবং আপনার ফেসবুক আইডির নামও যেন অনুরূপ হয়।যখন আইডি ভেরিফিকেশন হবে তখন আপনার এসব তথ্য তাদের প্রয়োজন পড়বে।আর ভুল নাম দিলে ভবিষ্যৎ এ আপনার আইডি বাতিল হয়ে যাবে এবং সেই সাথে আপনার উপার্জনকৃত পাইও বাতিল হবে।

৫/এরপর নিচের চিত্রের মতো ইনভাইটেশন  কোড চাইবে।আপনি ইনভাইটেশন কোড হিসেবে আমারর টা দিতে পারেন।আমার ইনভাইটেশন কোডঃTawhid10

ইনভাইটেশন কোড ছাড়া আপনার একাউন্ট ক্রিয়েট হবে না।আর ইনভাইটেশন কোড দিলে আপনি প্রথমেই 1 পাই ফ্রিতে পেয়ে যাবেন।৬/এরপর নিচের চিত্রের গোল অংশের স্থানে ক্লিক করুন।এতে করে আপনার পাই মাইনিং(বা উপার্জন) হতে শুরু করবে।

২৪ ঘন্টা পরপর এসে আপনি এখানে ক্লিক করবেন। এতে করে আপনার পাই মাইনিং(বা উপার্জন)হতে শুরু করবে।আর ক্লিক না করলে মাইনিং (বা উপার্জন) বন্ধ হয়ে যাবে।

এই হচ্ছে আপনার পাই এবং পাই একাউন্ট সংক্রান্ত তথ্য এবং নিয়ম-কানুন।তবে এখুনি পাই এপ্পস ডাউনলোড করে উপার্জন শুরু করে দিন এবং ভবিষ্যৎ এর কারেন্সি হিসেবে জমা রাখুন।সেই সাথে আপনি ওখানে আমার গ্রুপ অথবা পাইওনিয়ার(বাংলা)  চ্যাট গ্রুপে সংযুক্ত হতে পারেন। এতে করে আপনি আপডেট তথ্য এবং আপনার প্রয়োজনীয় প্রশ্নের উত্তর পাবেন।

ধন্যবাদ।

Read More

8 thoughts on “পাই নেটওয়ার্ক কি ? পাই নেটওয়ার্কে একাউন্ট খোলার নিয়ম”

    1. বর্তমানে পাই এর ব্যবহারকারী ২১ মিলিয়ন ছাড়িয়েছ,, আপনি চাইলে মাইনিং করতে পারেন।
      আমার ইনভাইটেশন কোড shamim117

    1. আপনিও চাইলে পাই একাউন্ট খুলতে পারেন।🙂
      পাই একাউন্ট ওপেন করলে ইনভাইটেশন কোডঃ Tawhid10 দিতে ভুলবেন না কিন্তু।

      1. ভাই পরিচয় পত্রের সাথে ইউজার নেম ফাস্ট লাস্ট নেম সবই ঠিক আছে।
        কিন্তু ফেসবুকে মিল আছে ঠিকই তবে ছোট হাতের বর্ন তে লেখা…
        কোনো সমস্যা হবে..?

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top