গ্রাফিক্স কি?কিভাবে গ্রাফিক্স ডিজাইন করবেন? একনজরে দেখে নিন।
আধুনিক দুনিয়ার এক সম্ভাবনাময় কর্ম সংস্থান এর সুযোগ করে দিয়েছে গ্রাফিক ডিজাইন।তাই আপনিও গ্রাফিক্স এর কাজ গুলো শিখে যুক্ত হোন আধুনিক কর্মসংস্থানে।

প্রথমেই জেনে নিন

গ্রাফিক্স ডিজাইন এ কি কি কাজ পাবেন:

১। বিজনেস কার্ড,ব্যানার/পোস্টার ডিজাইন,স্টিকার ডিজাইন।
২। বিভিন্ন পিএসডি ইমেজকে ভেক্টরে কনভার্ট করা
৩। লোগো,প্রোডাক্ট,হলোগ্রাম ডিজাইন।
৪। ইমেজ এডিটিং,রিসাইজ,স্কেচ তৈরি।

বর্তমানে গ্রাফিক ডিজাইন এর খুব কদর আছে।

এবার আসুন

কিভাবে শিখবেন গ্রাফিক ডিজাইন :

আপনি বিভিন্ন ব্লগের বাংলা টিউটোরিয়াল দেখতে পারেন। এছাড়া ইউটিউব এ ফটোশপ প্রোগ্রাম ইউজিং এর ভিডিও দেখতে পারেন।বিভিন্ন ওয়েবসাইট আছে যেখানে আপনি গ্রাফিক ডিজাইন শিখতে পারেন।যেমন: www.photoshoptutorials.ws
www.photoshopessentials.com

যেভাবে কাজ করবেন:

লোগো ডিজাইনঃ লোগো কি? এক কথায় কোন কোম্পানি, দেশ বা ব্যাক্তিগত কোন কিছুর পরিচয় বহনকারী ছবি। যেমন কোন মোবাইল এর পেছনে আপেলের ছবি দেখেই আপনি বলে দিতে পারবেন এটা iPhone, ঠিক এই ভাবেই একটি লোগো একটি কোম্পানির ব্যক্তিত্ব বহন করে। আর এই জন্যই লোগো ডিজাইন এত গুরুত্বপূর্ণ। তবে লোগো ডিজাইন শিখতে হলে আপনাকে আগে অবশ্যই বিভিন্ন কোম্পানির লোগো দেখতে হবে এবং সেখান থেকে আইডিয়া নিতে হবে। লোগো সবসময় Adobe Illistrator দিয়ে ডিজাইন করতে হবে এবং সবসময় চেষ্টা করবেন আপনার ডিজাইন করা লোগো যেন কোম্পানির নামের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়।

লোগো ডিজাইন শেখার জন্য আপনাকে যা মাথায় রাখতে হবেঃ

আপনি যদি একজন ভাল মাপের লোগো ডিজাইনার হতে চান তাহলে আপনাকে অবশ্যই নিচের বিষয়গুলোর উপর জোড় দিতে হবে-

১. লোগোর সাথে কোম্পানির এবং এর আডিয়েন্স এর যোগসূত্র তৈরিঃ একটি লোগো শুধুমাত্র দেখার সৌন্দর্যর জন্য তৈরি করা হয়। এর ভেতর থাকে একটি কোম্পানির অন্তর্নিহিত মেসেজ। তাই কোন কোম্পানির লোগো তৈরি করার আগে আপনাকে আগে সেই কোম্পানি সম্পর্কে একটু জেনে নিতে হবে। আর লোগো ডিজাইন করার আগে আপনাকে ভাবতে হবে এই কোম্পানি কাদের সাথে কাজ করে এবং কি ধরনের সিম্বল বা প্রতিক ব্যবহার করলে সবচাইতে উত্তম ব্র্যান্ডিং সম্ভব? এই ক্ষেত্রে আপনাকে কালার নির্ধারণ করতে হবে খুবই সচেতনতার সাথে। তবে সিম্পল লোগো ডিজাইন করাই উত্তম। এখানে উদারহনস্বরূপ- আপনি যদি কোন গার্মেন্টস কোম্পানির লোগো ডিজাইন এর কাজ পান তাহলে লোগোতে স্টিল এর বোতাম বা সুতা উল্লেখ করতে পারেন, তবে সেটা অবশ্যই সুন্দর এবং সাবলীল হতে।

২. কোম্পানির ব্র্যান্ড এর দিকে নজর দিনঃ লোগো ডিজাইন এর ক্ষেত্রে আগে একটি স্কেচ তৈরি করে নিলে ভাল হয়। আগেই দেখে নিন ক্লাইন্ট এর আগে কোন লোগো আছে কিনা, ক্লাইন্ট এর অন্য কোন কোম্পানি থাকলে সেগুলোর লোগো দেখুন, এতে করে আপনি ক্লাইন্ট কি ধরনের লোগো পছন্দ করেন সেটা আপনি বুঝতে পারবেন। এইভাবে সবার আগে আপনি ক্লাইন্ট এবং তার আইডিয়া এবং পছন্দ জেনে নিন। এতে করে সহজেই আপনি আপনার কাঙ্ক্ষিত লোগো ডিজাইন করতে পারবেন।

৩. সব কিছুরই ব্যাকআপ রাখুনঃ লোগো ডিজাইন করতে গেলে দেখা যাবে, আপনি একবারে আপনার লোগো ডিজাইন কমপ্লিট করে ফেলতে পারবেন না। প্রথমবার সাবমিত করার পর ক্লাইন্ট আপনাকে কোন অংশ পরিবর্তন করতে বলতে পারে। পরে সেটি চেঞ্জ করার পর আবারও কোন জায়গায় চেঞ্জ করতে বলতে পারে। এই জন্য প্রতিবার সাবমিট করার সময় অবশ্যই এই সময়ের আলাদা ব্যাকআপ রেখে দিবেন। কারন এমনও হতে পারে- ৩ বার আপনাকে দিয়ে লোগোর বিভিন্ন অংশ চেঞ্জ করানোর পর ক্লাইন্ট বলতে পারে প্রথম বারের টাই ভাল ছিল। তাই আপনি যদি প্রতিবারের ওয়ার্কসাবমিট এর ব্যাকআপ না রাখেন তাহলে পরে অনেক ঝামেলায় পরবেন। আর তাই ভুলেও কখনো ব্যাকআপ রাখতে ভুলবেন না।

এবার আসুন স্কেচ এ: স্কেচ মূলত ছবি অংকন। আপনি www.drawspace.com -এই ওয়েবসাইট থেকে স্কেস শিখতে পারেন। নতুন কেউ এখান থেকে ভাল করে আর্ট শিখতে পারে। এগুলো ছাড়াও আপনি বিভিন্ন ধরনের ডিজাইন এর জন্য কাজ করতে পারেন। দেরি না করে আজই শুরু করুন। আশা করি তথ্যগুলো দারা আপনি উপকৃত হবেন।



ব্যাক্তিগত রেফারেল লিংকঃ

রিপ্লাই করুন

আপনার মতামত দিন
এখানে আপনার নাম লিখুন