ইউনিয়ন পরিষদের মৃত্যু সনদ লেখার নিয়ম

ইউনিয়ন পরিষদের মৃত সনদ লেখার নিয়ম : আপনারা যে ইউনিয়ন পরিষদে বসবাস করেন সেখান থেকে মৃত সনদ/ সার্টিফিকেট সংগ্রহ করতে চান?

তবে আজকে আমাদের এই ওয়েবসাইটে দেখানোর নিয়ম গুলো অনুসরণ করে, সহজে ইউনিয়ন পরিষদের লেখার নিয়ম জেনে নিতে পারবেন।

আপনার পরিবারের কোনো সদস্য যদি মৃত্যুবরণ করে, তবে তার মৃত নিবন্ধন সনদ প্রয়োজন পড়বে।

ইউনিয়ন পরিষদের মৃত্যু সনদ লেখার নিয়ম
ইউনিয়ন পরিষদের মৃত্যু সনদ লেখার নিয়ম

বিভিন্ন কাজ করার জন্য। এ মৃত নিবন্ধন সংগ্রহ করার জন্য আপনারা হয়তো অনেকেই স্থানীয় সরকার বিভাগের কাছে বা ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে এ বিষয়ে জানাতে চান।

তবে, বর্তমান সময়ের তথ্য এবং যোগাযোগ প্রযুক্তির কল্যাণে, প্রতিটি তথ্য অনলাইন থেকে সংগ্রহ করা যায়।

আমরা ঘরে বসে বিভিন্ন সহায়তা মূলক পোষ্টের মাধ্যমে। অথবা আমাদের প্রয়োজনীয় পোস্ট সার্চ করার ভিত্তিতে, আমরা তথ্য প্রদান করে থাকি।

অনলাইনে ইউনিয়ন পরিষদের মৃত্যু সনদ

পরিবারের অভিভাবক যদি কোনো কারণে এবং তিনি যদি কোথাও ব্যাংক ব্যালেন্স রেখে যান। তবে সে টাকা উত্তোলন করার জন্য মৃত নিবন্ধন সনদ প্রদর্শন করতে হবে।

তো, মৃত্যুবরণ করলে মৃত নিবন্ধন অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা হিসেবে কাজ করে এবং আপনি যদি মৃত নেমন্তন সনদ ইউনিয়ন পরিষদ থেকে সংগ্রহ করতে চান।

তবে আপনাকে আগে অনলাইনে আবেদন জানাতে হবে। আবেদন করার ক্ষেত্রে আপনারা সবার আগে যে, কাজটি করবেন।

সেটি হচ্ছে, bdris.gov.bd/dr/application এই ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে। এখান থেকে নতুন মৃত নিবন্ধনের আবেদন করতে পারবেন।

মৃত্যু নিবন্ধনের আবেদন করতে হলে সে ব্যক্তির অবশ্যই ডিজিটাল মৃত নিবন্ধন থাকতে হবে।

সেই মৃত্যু নিবন্ধন সনদ নম্বর অনুযায়ী প্রথমে তথ্য সার্চ করতে হবে। এবং সেই ব্যক্তির নাম খুঁজে পাওয়া গেলে। পরবর্তীতে গিয়ে তার ঠিকানা সংক্রান্ত তথ্য প্রদান করে দিতে হবে।

তারপর সে ব্যক্তির মৃত তারিখ এবং কি কারণে সে, মৃত্যুবরণ করেছেন এই সকল বিষয় সঠিকভাবে নির্বাচন করে দিতে হবে। মৃত ব্যক্তি যদি একজন পুরুষ হয়ে থাকে সেক্ষেত্রে তার স্ত্রীর তথা বলে এবং তিনি যদি একজন মহিলা হয়ে থাকেন।

তবে তার স্বামীর তথ্য প্রদান করে দিতে হবে।

এরকম ভাবে আপনারা এ সকল তথ্য প্রদান করার পরে যে, ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করেছে তিনি কোন স্থানে মৃত্যুবরণ করেছে। এবং এই মৃত্যুবরণ করার স্থান তার স্থায়ী ঠিকানার সাথে সম্পর্কিত কিনা।

এই সকল তথ্য প্রদান করতে হবে। যদি মৃত্যুবরণ করার স্থানের নাম এবং মৃত্যুবরণ করার স্থায়ী ঠিকানা নাম একই হয়ে থাকে। তবে সেখানে আপনারা সেই অপশন পেয়ে যাবেন।

এবং আপনাদেরকে আলাদাভাবে কোন তথ্য করতে হবে না। তারপর যিনি আবেদন করেছেন, তার জন্ম নিবন্ধন নাম্বার এবং মোবাইল নাম্বার সহ জাতীয় পরিচয় পত্র নম্বর সাবমিট করতে হবে।

এ সকল তথ্য যথাযথভাবে দিয়া দেয়ার পরে, আবেদন করে ঠিকানা দিতে হবে এবং আবেদনকারীর সাথে। মৃত্যুবরণকারী ব্যক্তির প্রকৃত সম্পর্ক পিতা প্রদান করার পাশাপাশি তিনি যদি আলাদা সম্পর্কের ব্যাক্তি হয়ে থাকেন।

সেক্ষেত্রে অন্যান্য অপশন নির্বাচন করে দিতে হবে এরকম ভাবে, আপনি আপনার আবেদন সাবমিট করতে পারবেন। এবং সাবমিট করার শেষে কত তারিখে মৃত্যুবরণ করেছে। সে তথ্য আরো একবার সাবমিট করতে হবে।

এরকমভাবে আপনারা আবেদন পত্র ডাউনলোড করে নিয়ে। ইউনিয়ন পরিষদের জমা দিয়ে দিবেন। এবং তারপর আপনার আবেদন পত্র অনুযায়ী, আপনাকে মৃত নিবন্ধন চেয়ারম্যান স্বাক্ষরকিত অনুলিপি প্রদান করবে।

তো আপনি যদি মানুষের কাছে পরামর্শ না নিয়ে নিজে নিজে অনলাইনের মাধ্যমে মৃত সনদের জন্য আবেদন করেন।

তাহলে সে আবেদন কপি নিয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগ বা ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে সহজে মৃত নিবন্ধন সনদ গ্রহণ করতে পারবেন।

ইউনিয়ন পরিষদের মৃত্যু সনদ লেখার নিয়ম

আপনারা উপরের আলোচনাতে ইউনিয়ন পরিষদের মৃত সনদ কিভাবে অনলাইনে আবেদন করতে হয়। সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্যাদি জেনে নিতে পেরেছেন।

এখন আমি আপনাকে জানিয়ে দেবো ইউনিয়ন পরিষদের মৃত সনদ লেখার নিয়ম। আপনি যদি অনলাইন এর মাধ্যমে মৃত সনদ আবেদন করতে না পারেন।

সে ক্ষেত্রে আপনারা ইউনিয়ন পরিষদের মৃত সনদ কম্পিউটার টাইপিং করে দিলেও চলবে।

ইউনিয়ন পরিষদের মৃত সনদ লেখার জন্য কিছু নিয়ম আপনাকে অবশ্যই অনুসরণ করতে হবে। তার জন্য নেচে দেওয়া তথ্য গুলো অনুসরণ করেন।

ঠিক সে রকম ভাবে, আপনারা যদি মৃত সনদ লিখতে পারেন। তাহলে আপনারা চেয়ারম্যান এর স্বাক্ষর করে, সেটি সকল জায়গায় ব্যবহার করতে পারবেন।

তো আমি এখন আপনাকে জানাবো। ইউনিয়ন পরিষদের মৃত্যু নিবন্ধন সনদ লেখার নিয়ম (বাংলায়) :

৫নং ঝিনাইগাতী ইউনিয়ন পরিষদ

ইউপি চেয়ারম্যানের কার্যালয়

ঝিনাইগাতী, শেরপুর।

মৃত্যু সনদ

এই মর্মে প্রত্যয়ন করা যাইতেছে যে, মরহুম (নাম লিখবেন), পিতার নামঃ (এখানে পিতার নাম লিখবেন), মাতার নামঃ (এখানে মাতার নাম লিখবেন), গ্রামঃ (ঝিনাইগাতী), ডাকঘরঃ (ঝিনাইগাতী), উপজেলা (ঝিনাইগাতী), জেলাঃ (শেরপুর) ইউনেয়নের বাসিন্দা ছিলেন, ইউনিয়ন রেজিস্টার বই অনুসারে, মতৃ (মৃত ব্যক্তির নাম লিখবেন) 01-01-2022 তারিখে শেরপুর সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান।

আমি মহান আল্লাহ’র কাছে বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করি।

তারিখঃ 01-01-2022 খ্রিঃ

চেয়ারম্যান

৫নং ঝিনাইগাতী ইউনিয়ন পরিষদ
ঝিনাইগাতী, শেরপুর।

শেষ কথাঃ

তো আপনারা যারা পরিবারের মৃত সদস্যদের ইউনিয়ন পরিষদ এর মৃত সনদ লেখার নিয়ম জানতে চান।

তারা উপরে দেওয়া মৃত সনদ তৈরি করে ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান কর্তৃক স্বাক্ষর নিয়ে যে, কোন কাজে ব্যবহার করতে পারবেন।

তো বন্ধুরা আজ আমাদের লেখা ইউনিয়ন পরিষদের মৃত সনদ লেখার নিয়ম কেমন লাগলো। যদি ভালো লেগে থাকে।

তাহলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানিয়ে দিবেন। আর এ বিষয়ে আপনার বন্ধুদের জানাতে একটি সোশ্যাল মিডিয়া শেয়ার করবেন ধন্যবাদ।

আরও পড়ুন

Leave a Comment

Share via
Copy link
Powered by Social Snap