Crypto-currency কি? বিস্তারিত জেনে নিন!!

বিশ্বায়ন এর এই যুগে আজ পৃথিবী এগিয়ে চলেছে নিজের আপন গতিতে। সাফল্য এবং উন্নতির মুখ দেখছে মানুষ প্রতি নিয়তই। মানুষের জীবনব্যবস্থাকেও করা হচ্ছে সহজ এর থেকেও বেশি সহজ। প্রাচীন কালের সেই কঠিন রীতিনীতি বদলে এখন তারা সহজ জীবন ব্যবস্থস্কে গ্রহণ করে নিয়েছে।

ঠিক তেমনি ভাবে নিজেদের টাকা পয়সার লেনাদেনা কে সহজ করতেই তারা সোনার কিংবা রূপার কয়েন থেকে মুখ ফিরিয়ে এসেছিল কাগজের টাকার দিকে। এবং ওই ভাবেই তারা আবার টাকা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়ে এমন এক মুদ্রার প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছে যার থাকবে না কোনো অস্তিত্ব।

তবে মানুষ তা দিয়ে কেনাবেচা করতে পারবে। বলতেছিলাম crypto-currency এর কথা। আধুনিক বিশ্বের এক অন্যতম নির্দশন এর নাম। ভার্চুয়াল এই মুদ্রার দিকেই মানুষ আজ ছুটে চলেছে। আর আমাদের আজকের আলোচনায় থাকছে crypto-currency কি? এবং এ সম্পর্কিত বিস্তারিত আলোচনা।

ক্রিপ্টো কারেন্সী কি? কিভাবে ইনকাম করবেন
ক্রিপ্টো কারেন্সী কি? কিভাবে ইনকাম করবেন

চলুন শুরু করা যাক।

crypto-currency কি?

শুরুতেই আমাদের যে বিষয়টি নিয়ে পরিষ্কার হতে হবে তা হলো,’ crypto-currency কি?’।  তো আমরা এর কিছু সংজ্ঞার দিকে আলোকপাত করব এ পর্যায়ে। ক্রিপ্টোকারেন্সি বলতে মূলত এক প্রকার সাংকেতিক মুদ্রাকে বুঝানো হয়ে থাকে। যার বাস্তবিক জগতে কোনো শারীরিক রূপ নেই। অর্থাৎ একে কেউ ছুতে ধরতে কিংবা পকেটে পুড়তে পারবে না।  সেই সাথে আপনি একে ব্যাংক থেকে নর্মাল টাকা এর মতোও তুলতে পারবেন। বলতে গেলে এই মুদ্রায় কোনো ব্যাংকই প্রয়োজন পড়ে না আদোত পক্ষে। ক্রিপ্টোকারেন্সিকে অনেক সময় বিটকয়েনও বলা হয়ে থাকে।

ক্রিপ্টোকারেন্সি নামক এই মুদ্রার লেনাদেনা হয়ে থাকে ক্রিপ্টোগ্রাফ নামক এক প্রক্রিয়ায়। ২০১৭ সাল থেকে এই মুদ্রাটি বাজারে এসেছে এবং তখন থেকেই এর কেনাবেচা শুরু।

Read More:

ক্রিপ্টোকারেন্সি সমন্ধে একটু বিস্তারিত ধারণা-

ক্রিপ্টোকারেন্সি সমন্ধে একটি ধারণা আপনাকে একটু আগেই দিয়েছি। যার ফলে আশা করছি যে আপনি ক্রিপ্টোকারেন্সি এর ধারণা বা সংজ্ঞা সমন্ধে পরিষ্কার হয়েছেন। এ পর্যায়ে আমরা এর আরেকটু বিস্তারিত ব্যাখ্যা জানব।

ক্রিপ্টোকরেন্সি লেনাদেনা-

ক্রিপ্টোকারেন্সি অন্যান্য মুদ্রার মতই। আপনি যে কাউকে এটি দিতে পারবেন। তবে এখানে একটু পার্থক্য রয়েছে । যেহেতু এটি কোনো বাস্তবিক বা কাগজের মুদ্রা নয় তাই আপনি এটিকে বাইরে আনতে পারবেন না। আপনাকে বিটকয়েন বা ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনাদেনা করতে হলে অবশ্যই তা ইন্টারনেটেই করতে হবে। কেননা বাস্তবে এর রূপ নেই।

ক্রিপ্টোকারেন্সি এর এই লেনাদেনা হবে একেবারে পিয়ার টু পিয়ার লেনাদেন। যে ব্যক্তি অন্য কাউকে পাঠাবে তার এবং সেই ব্যক্তির মাঝে কোনো রকমের কোনো তৃতীয় পক্ষ থাকবে না। এবং এই তৃতীয় পক্ষ থাকার কোনো প্রয়োজনও এখানে নেই। তৃতীয় পক্ষ বলতে কি বুঝলেন?

এখানে তৃতীয় পক্ষের বিষয়টি আপনাকে একটা উদাহরণ এর মাধ্যমে দেয়া যাক। ধরুন আপনার কাছে কিছু টাকা আছে। এখন আপনি চট্টগ্রাম এর কাউকে টাকা পাঠাতে চাচ্ছেন। তবে আপনি এখন অবস্থান করছেন পাবনাতে। যার ফলে হাতে হাতে টাকা দেয়া কোনোভাবেই সম্ভব না। আর যদিও দিতেও চান তবে এক লম্বা পথ পাড়ি দিতে হবে। এই সমস্যা নিরসন এর জন্য আপনি তাই সাহায্য নিলেন বিকাশ, রকেট, কিংবা নগদ এর। বিকাশ বা রকেট অথবা ব্যাংক ট্রান্সফার এর মাধ্যমে তার কাছে মুহূর্তেই টাকা পাঠালেন। তাহলে আপনার ও তার টাকা পাঠানোর জন্য কি দরকার পড়েছিল?

নিশ্চয় বিকাশ রকেট বা নগদ? আর এই বিকাশ, রকেট অথবা নগদই হলো তৃতীয় পক্ষ। যার অস্তিত্ব আপনি কখনোই খুঁজে পাবেন না ক্রিপ্টোকারেন্সি এর সময়। আর বিকাশ কিংবা নগদ এর যে চার্জ থাকে তাও তখন দিতে হবে না। ভার্চুয়াল এই মুদ্রা এরকম একটি সুবিধা রয়েছে। সেই সাথে পেপ্যাল কিংবা স্ক্রিল ছাড়াও বিদেশে টাকা আদান প্রদান করা যাবে খুব সহজেই।

বিটকয়েন ছাড়াও কি ক্রিপ্টোকারেন্সি রয়েছে?

উপরোক্ত প্রশ্নটির উত্তর হলো হ্যাঁ, বিটকয়েন ছাড়াও রয়েছে নানা ধরনের ক্রিপ্টোকারেন্সি। তবে তা বিটকয়েন এর মতো এতটা জনপ্রিয় নয়। তবে চলুন একবার দেখে নেয়া যাক কতগুলো বিটকয়েন রয়েছে। নিচে এর তালিকা দেয়া হলোঃ

  • বিটকয়েন
  • ইথেরিয়াম
  • লাইটকয়েন
  • রিপল
  • মোনেরো
  • ড্যাশ
  • বাইটকয়েন
  • ডোজকয়েন

এরকমই আরও সহস্রাধিক ক্রিপ্টোকারেন্সি রয়েছে। তবে মোট কথা হলো এই যে ক্রিপ্টোকারেন্সি বলতে এখন শুধু বিটকয়েনকেই বুঝানো হয়ে থাকে। কেননা বিটকয়েন এদের  সবার পূর্বসূরী। বিটকয়েন বা ক্রিপ্টোকারেন্সি সমন্ধে আপনার ধারণা আশা করি পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে।

ক্রিপ্টোকারেন্সি এর সংক্ষিপ্ত ইতিহাস-

ক্রিপ্টোকারেন্সি বাকি সব জিনিস এর মতোই এমনি এমনি কিন্তু আসেনি। বরং এর পিছোনেও ছিল একজন মূল হোতা। আর তারইর বদৌলতে এই বিটকয়েন বা ক্রিপ্টোকারেন্সি এর দেখা পাচ্ছি আমরা। সংক্ষিপ্ত ইতিহাস সমন্ধে জানতে গিয়ে আমরা যা জেনেছি তা হলো ক্রিপ্টোকারেন্সি এর যাত্রা শুরু মূলত ১৯৮৩ সালে একজন ক্রিপ্টোগ্রাফার এর হাতধরে।

১৯৮৩ সালে ডেভিড চৌম যিনি কিনা একজন আমেরিকান ক্রিপ্টোগ্রাফার ছিলেন তিনি এর কাজ শুরু করেন এবং এর নাম হিসাবে তিনি দেন ই-ক্যাশ। এরপর তিনি আস্তে আস্তে এগুতে থাকে ১৯৯৫ সালে ডিজিক্যাশ এর মাধ্যমে তিনি এর একটি বাস্তবিক রুপ রেখে দেন।

এবং সেই সাথে এই বিষয়টিও জানিয়ে দেন এই মুদ্রা অন্য কোনো মুদ্রা যেম্ন টাকা কিংবা ডলার বা রূপি এর মতো হবে না। বরং এটি হবে পুরোপুরি অস্তিত্ববিহীন। এবং এরই ধারায় কাজ করতে করতে তিনি একটা সময়ে বিটকয়েন আবিষ্কার করে ফেলেন। এবং তখন থেকেই এর প্রচলন শুরু।

বলতে গেলে বিটকয়েন বা ক্রিপ্টোকারেন্সি এর খুব বেশিদিন হয়নি। এই পৃথিবীতে আসার। মাত্র কয়েকদিন আগেই এর আবির্ভাব একজন আমেরিকান এর হাতধরে।

 ক্রিপ্টোকারেন্সি এর কিছু বৈশিষ্ট্যঃ

বাকি মুদ্রাগুলোর মতো ক্রিপ্টোকারেন্সি যেমন আপনি হাত দিয়ে ধরতে পারবেন না তেমনি বাকি ক্ষেত্র গুলোতেও এর পার্থক্য রয়েছে ব্যাপক। সেই পার্থক্যের কোনোটি যেমন খারাপ আবার কোনোটি রয়েছে ভালো। আলোচনার এই পর্যায়ে আমরা তাই দেখে নিব ক্রিপ্টোকারেন্সি এর বৈশিষ্ট্যগুলো। চলুন তবে দেখে নেয়া যাক।

১, প্রথমত যে কথায় আসা যায় তা হলো ক্রিপ্টোকারেন্সি বা বিটকয়েন যাই বলেন না কেন এর লেনদেন প্রক্রিয়া একদম ঝটপট হয়ে যায়। তাই লেনদেন প্রক্রিয়া দ্রুত হওয়ার জন্য এর সুখ্যাতি রয়েছে।

২, ক্রিপ্টোকারেন্সি এর মালিক যিনি তিনিই। অর্থাৎ আপনি যদি এর মালিক হয়ে থাকেন তবে আপনিই তার মালিক। অন্য কেউ এখানে কোনোভাবেই হস্তক্ষেপ করতে পারবে না মোটেও।

৩, ক্রিপ্টোকারেন্সি এর ক্ষেত্রে একজন বিটকয়েন বা ক্রিপ্টোকারেন্সি ব্যবহারকারী কয়েকটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে পারবে। আর এখানে অ্যাকাউন্ট তৈরি করার জন্য দরকার নেই কোনো প্রকার ব্যক্তিগত তথ্য কিংবা ছবির।

৪, ক্রিপ্টোকারেন্সি যদি ভুল করে অন্য কাউকে পাঠানো হয় তবে তা আর ফেরত পাওয়া যাবে না। আর একারণেই ক্রিপ্টোকারেন্সি হলো অফেরতযোগ্য। খারাপগুণের মধ্যে এটি হলো অন্যতম। তাই আপনাকে লেনদেন এর সময় সর্বাধিক নজর রাখতে হবে।

ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেন এর পদ্ধতিঃ

ক্রিপ্টোকারেন্সি যেহেতু নর্মাল কারেন্সি বা মুদ্রা এর মতো নয়। তাই এর লেনদেন পদ্ধতিতেও রয়েছে এক বিশাল ধরনের তফাৎ । লেনদেন এর ক্ষেত্রে পিয়ার টু পিয়ার করা হয় ঠিকই। অর্থাৎ তৃতীয় পক্ষ থাকবে না ঠিকই তবে একটু ঝামেলা রয়েছে। আর সেই লেনদেন পদ্ধতি নিয়েই এখন আলোচনা করব। সাথেই থাকুনঃ

crypto-currency ওয়ালেটঃ

ওয়ালেট অর্থাৎ সোজা কথায় টাকার ব্যাগ। তবে ক্রিপ্টোকারেন্সি এর যেমন কোনো বাস্তবিক রূপ নেই তেমনি ওয়ালেট বলতেও আপনি তেমন কিছু পাবেন না। এটাকে ই-ওয়ালেট বলা যেতে পারে। ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেন এর জন্য ওয়ালেট ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

এক্ষেত্রে যিনি ক্রিপ্টকারেন্সি বা বিটকিয়েন পাঠাবেন তারও একটি অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে। এবং সেই সাথে যিনি তা রিসিভ করবেন তারও একটি ওয়ালেট থাকতে হবে। এর এই ওয়ালেট এর সুরক্ষা ব্যবস্থা অনেক বেশি। কেননা প্রত্যেকরই রয়েছে আলাদা আলাদা ইনক্রিপ্টেড ঠিকানা। প্রথম পদ্ধতিতে এভাবেই টাকা পাঠানো যেতে পারে।

Read More:

ব্লকচেইনঃ

আপনি যখন এক ঠিকানা থেকে অন্য ঠিকানায় ক্রিপ্টোকারেন্সি প্রেরণ করবেন তখন তা ইনক্রিপ্টেড লেজার এর মধ্যে রেকর্ড হয়ে যাবে।

আর এই পদ্ধতিকেই মূলত আমরা ব্লগচেইন হিসাবে অ্যাখ্যায়িত করে থাকে। ব্লকচেইন এর প্রক্রিয়ার কারণে যেকোন প্রান্ত থেকে আপনি এই সব তথ্য নিজ চোখেই দেখতে পারবেন। আর এর কারণেই বিটকয়েন বা ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনাদেনা এতটা সুরক্ষিত। আশা কি আপনি বুঝতে পেরেছেন।

মাইনিংঃ

ব্লকচেইন এ যেসব জিনিস রেকর্ড বা যে যে লেনাদেনার তথ্য রেকর্ড হয়ে থাকে তা পর্যবেক্ষণ করা হয়ে থাকে মাইনিং এর মাধ্যমে। মাইনিং এর মাধ্যমে একজন সেই লেনাদেনা এর বৈধতা যাচাই করে। যাই এই ব্যবস্থাকে আরও সুরক্ষিত করেছে।

এছাড়াও যারা এই কাজ করে থাকেন তাদের মূলত মাইনার বলা হয়ে থাকে। আর মাইনিং এর ফলে কোনো ধরনের প্রতারণার কোনো রকম সুযোগ আপাতপক্ষে থাকে না। আর সবচেয়ে বড় এখানে এটাই যে উভয় পক্ষেরই পরিচয় গোপন থাকে। অর্থাৎ আপনি কে বা যাকে পাঠাচ্ছেন তিনি কে এসব তথ্য ফাঁস হয়ে যাওয়ার চান্স নেই।

ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনাদেনা পদ্ধতি এমনি তিনটি ধাপে হয়ে থাকে। আর এই তিনটি ধাপে ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনাদেনা হওয়ার কারণে যে বিষয়টি হয় তা হলো আপনার তথ্য একদিকে যেমন সুরক্ষিত থাকে তেমনি আরেকদিকে আপনার লেনাদেনাও একদম সুরক্ষিত।

Read More:

অর্থাৎ বিটকয়েন বা ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনাদেনা করার সময় প্রতারিত হওয়ার কোনো প্রকার চান্সই থাকে না। আপাতপক্ষে। সুতরাং আপনাকে এ নিয়ে ঘাবড়াতে হবে না।

ক্রিপ্টোকারেন্সি এর আদৌ কোনো মূল্য রয়েছে কি?

আপনার মনে এখন একটি প্রশ্নের আবির্ভাব হওয়া খুব স্বাভাবিক আর সেই প্রশ্নটি হলো, ” ক্রিপ্টোকারেন্সি এর যেহেতু কোনো রকম বাস্তবিক কোনো রূপ নেই তার মানে আপাতপক্ষেও এর কোনো মূল্য নেই।”

হ্যাঁ, আপনি মনে করতে পারেন যে বিটকয়েন এর কোনো দাম নেই। কিন্তু আসল বিষয় কিন্তু এটা মোটেও না। আপনার এই কথাটি সত্য হতো ২০১০ সালের দিকে। যখন ১২০০ বিটকয়েন এর বদৌলতে একটি ডলার পাওয়া যেত। কিন্তু এখন পরিস্থিতি উলটো।

ভাবছেন হয়তো ১২০০ ডলার এ এক বিটকয়েন কি না। কিন্তু আপনার এই ধারণাকেও পিছনে ফেলে এখন বিটকয়েন এর দাম কয়েক হাজার হয়ে গিয়েছে। প্রথম আলোর দেয়া একটি সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে এটি জানা যায় যে এর দাম প্রায় ৬০ হাজার ডলার এরও উপরে। তাহলেই ভাবুন যদি কিনে রাখতেন একটি বিটকয়েন ২০১০ সালে তাহলে আজকে কত টাকার মালিক হতেন।

আরও হতাশ করার বিষয় হলো এই গত বছরের চেয়ে এ বছর বিটকয়েন এর দাম বৃদ্ধি পেয়েছে প্রায় ১১ গুণ। তাহলেই ভাবুন এক বছরে কত ডলার ইনকাম হতো ঘরে বসেই। আর একারণেই এটি রোজ জনপ্রিয়তা অর্জন করে চলেছে।

আজকের আর্টিকেলটিতে আমরা আলোচনা করেছি ক্রিপ্টোকারেন্সি নিয়ে। ক্রিপ্টোকারেন্সি এর সংজ্ঞা কি, ক্রিপ্টোকারেন্সি সমন্ধে আরও কিছু বিস্তারিত তথ্য। বিস্তারিত তথ্যের মধ্যে আমরা জেনেছি যে কিভাবে আপনি ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেন করবেন।

Read More:

ক্রিপ্টোকারেন্সি এর ইতিহাস এবং এর তিনটি লেনদেন পদ্ধতি। যার মাধ্যমে খুব সহজেই আপনি এগুলো অন্যকে দিতে ও নিতে পারবেন। আশা করি পুরো ধারণাটুকু আপনার পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে। সেই সাথে আপনি যদি এমনি সব পোস্ট পেতে চান এবং নিজের জ্ঞানকে আরও সমৃদ্ধ করতে চান তবে আমাদের সাথেই থাকুন। দেখা হচ্ছে পরবর্তী পোস্টে ধন্যবাদ।

আরও পড়ুন

Leave a Comment

Share via
Copy link
Powered by Social Snap