অল্প পুঁজিতে গ্রামে বসে ব্যবসা করার ১০ টি আইডিয়া

মানুষের স্বাবলম্বী হওয়ার ইচ্ছা চিরন্তন। পরিবারের একজন শিক্ষিত ছেলেও পরিবারের বোঝা হয়ে থাকতে চায়না। তবে স্বাবলম্বী হওয়া তো সহজসাধ্য নয়। বর্তমানে দেশে বেকারের সংখ্যা দেখেই বুঝা যায় চাকরি পাওয়া কতটা কস্টসাধ্য ব্যাপার। তবে স্বাবলম্বী হওয়ার জন্য যে চাকরিই করতে হবে এমনটা নয়।

বর্তমান সময়ে তরুনেরা ব্যবসা বাণিজ্য এর মাধ্যমে স্বাবলম্বী হওয়ার দিকে ঝুঁকছেন। তবে এক্ষেত্রে পুঁজি একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। পুঁজি কম থাকলে শহরের দিকে না ঝুকে এখন গ্রামেও ব্যবসা বাণিজ্য করে স্বাবলম্বী হওয়া যায়। গ্রামে ব্যবসা বাণিজ্য করলে একদিকে যেমন পুঁজি কম প্রয়োজন হয়, অপরদিকে নিজের বাড়িতে বসে কাজ করা যায় বলে খরচও অনেকাংশেই কমে যায়।

আমাদের তরুণ প্রজন্মের সুবিধার জন্য গ্রামে বসে অল্প পুঁজিতে করা যায় এমন ১০ টি ব্যবসার আইডিয়া নিয়্ব সাজানো হয়েছে আমাদের আজকের পোস্ট। এই পোস্টটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়লে আপনারা গ্রামে বসে অল্প পুজিতে ব্যবসা করা যায় এমন ১০ টি বিজনেস আইডিয়ার খুঁটিনাটি বিষয় সম্পর্কে জানতে পারবেন। তো আর দেরি কেনো? চলুন শুরু করা যাক!

অল্প পুজিতে গ্রামে বসে ব্যবসার আইডিয়া
অল্প পুজিতে গ্রামে বসে ব্যবসার আইডিয়া

টপিক সূচি

গ্রামে ব্যবসা শুরু করার প্রস্তুতি

আপনি যদি সামান্য কিছু পুঁজি হাতে নিয়ে গ্রামে বসে নতুন ব্যবসা শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন, তবে লেখার শুরুতেই আপনাকে অভিনন্দন! নতুন  জায়গায় নতুন ব্যবসা শুরুর রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতায় আপনাকে স্বাগতম। তবে খুশিকে দমিয়ে রেখে এবার পুরোদমে আপনার ব্যবসাতে নামার প্রস্তুতি শুরু করে দিন। আপনার পুরো কর্ম পরিকল্পনাকে এমন উপায়ে ভাগ করে নিবেন, যাতে আপনার জন্য সকল কাজের ব্যবস্থাপনা সহজে হয়।

স্বল্প পুঁজিতে ব্যবসা শুরুর প্রস্তুতি বিষয়ে আপনার পরিকল্পনা গুলোকে সহজ করে দিতে এখন আমরা স্বল্প পুজির ব্যবসার প্রস্তুতি নিয়ে কিছু আলোচনা করব।

লাভের সম্ভাবনা আছে এমন ব্যবসা বাছাই করুন

স্বল্প পুঁজুতে কোনো পাইকারি বা খুচরা পণ্যের ব্যবসা করতে চাইলে সবার আগে নিজেকে প্রশ্ন করুন যে পণ্যটি আপনি নিজে কিনতেন কিনা। পরবর্তীতে আপনার ভাবনার বিষয়টি হবে এই পণ্য বিক্রয় করে লাভের পরিমাণ কেমন হবে। তাছাড়া আরো একটি বিষয় এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ, যেটি হলো আপনার বাছাই করা ব্যবসাটি কতদিন পর্যন্ত আপনাকে মুনাফা দিতে সক্ষম। কারন ব্যবসাতে তো শেষ পর্যন্ত আপনি মুনাফা করতেই নামছেন, তাইনা?

ব্যবসার জন্য স্থায়ী পুজির সংস্থান করুন

স্বল্প পরিমাণের পুঁজি হলেও ব্যবসা শুরুর করার প্রস্তুতির সময়েই একটি স্থায়ী ব্যবস্থার সন্ধান করুন। নিজের জমানো টাকা এক্ষেত্রে ভালো ভূমিকা রাখবে। ব্যবসা শুরু করার পরে পুঁজির সংকট দেখা দিলে কিন্তু শেষ পর্যন্ত আপনার পরিকল্পনা ব্যর্থতায় পর্যবসিত হতে পারে। তাই এ বিষয়ে সতর্ক থাকুন।

Read More:

ব্যবসায়িক ব্যাংক হিসাব খুলুন

যেকোনো ধরনের ব্যবসা শুরুর সাথে সাথেই ব্যবসায়ের জন্য যেকোনো ব্যাংকে একটি আলাদা ব্যাংক একাউন্ট তৈরী করে ফেলা প্রয়োজন। ব্যবসার প্রস্তুতির সময়েই আপনার ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট ও ব্যবসায়িক ব্যাংক অ্যাকাউন্ট পৃথক রাখা দরকার। কারন একজন ব্যবসায়ীর জন্য এটি পেশাদার একটি পদক্ষেপ। যেকোনো ব্যবসাতে নামার ক্ষেত্রেই  সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা ও পেশাদারিত্বের পরিচয় দেওয়া উচিত। তাই ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের জন্য পৃথক ব্যাংক একাউন্ট তৈরী করা অনেক জরুরি।

TIN সহ প্রয়োজনীয় লাইসেন্স ও অনুমতি নিন

গ্রামে বসে ব্যবসা শুরু করলেও লাইসেন্স ও অনুমতির প্রয়োজন রয়েছে। তাই ব্যবসা শুরু করার জন্য যে সমস্ত লাইসেন্স ও সার্টিফিকেট প্রয়োজন সেগুলোর জন্য ব্যবসার শুরুর দিকেই আবেদন করুন। ব্যবসায়িক এসব লাইসেন্সের মধ্যে,  কিছুক্ষেত্রে স্থানীয় বিজনেস লাইসেন্স এর প্রয়োজন হতে পারে। আবার, কিছু ক্ষেত্রে এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট লাইসেন্স, ভেন্ডর লাইসেন্স ইত্যাদিরও প্রয়োজন হতে পারে। তাছাড়া যেকোনো ব্যবসার ক্ষেত্রেই ট্যাক্স পরিচয় নাম্বার (TIN) ও এমপ্লয়ির পরিচয় নাম্বার (EIN) অনেক বেশি জরুরি। এগুলোর মধ্যে প্রচলিত আইনে যেটি আপনার কোম্পানির জন্য প্রযোজ্য সেটির জন্য আবেদন করুন।

অনলাইন ব্যবসার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ডিভাইস কিনে নিন

ঘরে বসে স্বল্প পুজিতে ব্যবসা করার ক্ষেত্রে অনলাইন ব্যবসা এখন সবচেয়ে জনপ্রিয়। অনলাইনে ব্যবসা শুরু করতে চাইলে প্রস্তুতি হিসেবে শুরুতেই ডেস্কটপ, ল্যাপটপ, মোবাইল ফোন, রাউটার, রিপিটারসহ যেসব জিনিষের প্রয়োজন সেগুলোর তালিকা করে ফেলুন। এরপর নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সংযোগ নিশ্চিত করে ব্যবসায় নেমে পড়ুন।

অল্প পুঁজিতে গ্রামে বসে করার ১০ টি ছোট ব্যবসার আইডিয়া

এতক্ষন তো আমরা ব্যবসা শুরুর প্রস্তুতি বিষয়ে আলোচনা করলাম। এবার আমরা এমন ১০ টি ব্যবসার আইডিয়া নিয়ে আলোচনা করব যেগুলো গ্রামে বসে স্বল্প পুজিতে করা সম্ভব। এই ব্যবসায়িক আইডিয়া গুলো কাজে লাগিয়ে বেকারত্ব দূর করা সম্ভব। চলুন শুরু করা যাক!

Read More:

নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মুদি দোকানের ব্যবসা

আমাদের জীবনে সব সময় প্রয়োজন এমন পণ্যগুলোকে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য বলা হয়। এই পণ্যগুলোর মধ্যে চাল ডাল,তেল, লবণ, বিভিন্ন ধরনের মসলা ইত্যাদি অন্যতম। এই পণ্যগুলোর চাহিদা সব সময়েই সমান থাকায় স্বল্প পুঁজির ব্যবসার আইডিয়াটা হিসেবে এটি সবচেয়ে ভাল।

মুদী দোকানের ব্যবসাতে খরচ কম তবে সে হিসেবে লাভ অনেক বেশি হয়। তাছাড়া আপনার বাড়ি গ্রাম অঞ্চলে হয়ে থাকলে মুদী পণ্যের ব্যবসা আপনার জন্য আরো বেশি লাভজনক হবে। কারন মুদী দোকানটি আপনি নিজ বাড়ীর আঙ্গিনাতেই  শুরু করতে পারবেন। কিছুদিন পর পরিচিতি পেলে আপনার ব্যবসার পরিসর অনেক বড় হবে, ফলে লাভও তত পরিমানে বাড়বে।

বাড়িতে বসে হাঁস-মুরগী পালন করার ব্যবসা

বাড়িতে বসে স্বল্প পুঁজিতে হাঁস-মুরগী পালন করাও একটি ভালো ব্যবসায়িক আইডিয়া। বিশেষ করে বাড়ির মেয়েদের জন্য এটি খুবই লাভজনক একটি ব্যবসা। প্রথমে স্বল্প পুঁজিতে ১০ থেকে ১৫ টি হাঁস কিংবা মুরগি কিনে রেখে কিছু দিন পালন করার পরে এগুলো বেশি দামে বিক্রি করা যায়। তাছাড়া হাঁস-মুরগির ডিম বিক্রি করে প্রচুর টাকা আয় করা সম্ভব। শুধু বাড়ির মেয়েরা কেন ছেলেরাও হাঁস-মুরগী পালন করে স্বাবলম্বী হতে পারেন। বেকার বসে না থেকে স্বল্প পুঁজি হাতে নিয়ে বাড়িতে বসে হাস মুরগী পালন করে প্রচুর টাকা আয় করা সম্ভব। 

গরু-মহিষ পালনের ডেইরি ফার্ম এর ব্যবসা

বাড়িতে বেকার বসে না থেকে স্বল্প পুঁজিতে কয়েকটিগরু বা মহিষ কিনে ডেইরি ফার্ম এর ব্যবসা শুরু করা সম্ভব। এরপর ব্যবসাটি লাভজনক হলে আস্তে আস্তে  আরও বেশি পরিমাণে গরু-মহিষ কিনে একটি বড় পরিসরের ডেইরি ফার্ম দাড় করানো যায়৷ ডেইরি ফার্ম এর ব্যবসায় যথেষ্ট সময় দিতে পারলে লাভের পরিমাণ প্রত্যাশা কেও ছাড়িয়ে যাবে। স্বল্প পুঁজিতে ডেইরি ফার্ম এর ব্যবসাও তাই একটি লাভজনল বিজনেস আইডিয়া।

মোবাইল সরঞ্জাম ও ইলেক্ট্রনিক্স সামগ্রী বিক্রির ব্যবসা

এখনকার যুগে আমাদের সবার হাতে হাতে রয়েছে মোবাইল ফোন ও নানা ধরনের ইলেকট্রনিক্স সামগ্রী। মোবাইল এক্সেসরিজ এর মধ্যে রয়েছে চার্জার হেডফোন ব্যাটারি ফোনের কভার পাওয়ার ব্যাংক ইত্যাদি আবার অন্যান্য ইলেকট্রনের মধ্যে রয়েছে মাইক্রোফোন সাউন্ড বক্স টিভি স্মার্ট ওয়াচ ইত্যাদি।

মোবাইল ফোন এর সরঞ্জাম ও ইলেকট্রনিক্স সামগ্রী বিদেশ থেকে আমদানি করে সেগুলো নিয়ে স্বল্প পুঁজিতে গ্রামে বসেই ব্যবসা শুরু করা যায়।  তাছাড়া বাংলাদেশের বিভিন্ন ইম্পোর্টার রয়েছে যাদের কাছ থেকে কিনে খুচরা বিক্রেতা হিসেবে বিক্রয় করা যায়। মোটামুটি স্বল্প পুঁজিতেই মোবাইল সরঞ্জাম ও ইলেকট্রনিক্স পণ্য সামগ্রীর ব্যবসা করে প্রচুর টাকা আয় করা যায়। 

Read More:

স্টেশনারি পণ্য বিক্রির দোকানের ব্যবসা

আমরা সবাই জানি যে, আমাদের দেশে ছাত্র ছাত্রীদের সংখা অনেক বেশি। ফলে এই বিপুল পরিমাণ ছাত্র ছাত্রীদের কাছে বই খাতা কলম পেন্সিলের মত স্টেশনারি পণ্যের চাহিদাও প্রচুর। গ্রামে বসে স্বল্প পুঁজিতে ব্যবসা করতে চাইলে স্টেশনারি পণ্যের দোকান বেশ লাভজনক হতে পারে৷ তবে এক্ষেত্রে সমস্যা হলো স্টেশনারী পন্যে বিক্রি অনুপাতে লাভের পরিমাণ তুলনামূলক ভাবে কম। এক্ষেত্রে মূল কারখানা থেকে পণ্য নিয়ে বিক্রি করতে পারলে কিছুটাকা বেশি আয় করা সম্ভব। এ ধরনের ব্যবসায় খুব বেশি পরিমানে পুঁজিরও প্রয়োজন হয় না৷ তাই পুঁজির পরিমান কম হলে আপন স্টেশনারি পণ্যের ব্যবসার আইডিয়া কাজে লাগাতে পারেন।

অনলাইনে ডাটা এন্ট্রি করে আয় করা

কম্পিউটারের মাধ্যমে অনলাইনে কোন জায়গা থেকে আরেক জায়গায় ইনপুট করাকেই বলা হয় ডাটা এন্ট্রি। এই ডাটা এন্ট্রির কাজ অনলাইনে সবচেয়ে সহজ কাজ গুলোর মধ্যে একটি। শুধু মাত্র কিছু নিয়ম কানুন জানা থাকলেই ডাটা এন্ট্রির কাজ করা যায়। আপনি যদি ঘরে বসে স্বল্প পুজিতে কোন ব্যবসা শুরু করতে চান, তাহলে কম্পিউটার কিনে অনলাইনে ডাটা এন্ট্রির কাজ শুরু করতে পারেন।  অনলাইনে ডাটা এন্ট্রির কাজ কিভাবে শুরু করবেন সে বিষয়ে গুগলে প্রচুর আর্টিকেল পাবেন।  যেকোনো একটি আর্টিকেল ভালোভাবে পড়ে কাজে নেমে পড়ুন।

অনলাইন সার্ভে করে আয় করা

অনলাইন সার্ভে করে আয় বর্তমান সময়ে অনলাইনে ঘরে বসে আয় করার অন্যতম সেরা একটি মাধ্যম। অনলাইন সার্ভে শুরু করার আগে জেনে নিতে হবে সার্ভে মানে কি। অনলাইন সার্ভে মানে হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সারা বিশ্বের লোকদের বিভিন্ন ধরনের প্রশ্ন বা মতামত গ্রহণ কএয়া।  এককথায় অনলাইন সার্ভে মানে হলো অনলাইন মাধ্যমে করা জরিপ। আপনি যদি অনলাইনে সার্ভে করে আয় করতে চান তবে নিজের বাড়িতে বসেই কাজটি করতে পারবেন। 

অনলাইনে বিজ্ঞাপন দেখার মাধ্যমে আয় করা

শুধুমাত্র বিজ্ঞাপন দেখে আয় করা যায় এমন কথা শুনে হয়তো অনেকে হেসেই দেবেন। তবে ঘটনাটি সত্য। অনলাইনে বিজ্ঞাপন দেখে আয় করার জন্য আমাদের দেশে অনেক ধরনের ওয়েবসাইট রয়েছে।  এগুলোর মাধ্যমে আপনি আপনার জি-মেইল অ্যাকাউন্ট এসব ওয়েবসাইটে অ্যাকাউন্ট খুলে টাকা আয় করতে পারবেন। অনলাইনে বিজ্ঞাপন দেখে টাকা আয় করার জন্য শুধুমাত্র একটি কম্পিউটার ও ইন্টারনেট কানেকশনের প্রয়োজন হবে। 

Read More:

ফল চাষের ব্যবসার মাধ্যমে আয় করা

নিত্য নতুন দেশী বিদেশী ফল চাষের মাধ্যমে আয় করা বর্তমান সময়ে একটি নতুন ব্যবসা হিসেবে দাঁড়িয়ে গেছে। দেশের অনেক পরিচিত ফলের বাহিরেও বিদেশি অপরিচিত ফলের চাষাবাদ করেও অনেকে লাভবান হচ্ছেন।  স্থানীয় কৃষি অফিস থেকে প্রয়োজনীয় খোঁজখবর নিয়ে ফল চাষে ব্যবসায় নেমে পড়তে পারেন।  তাছাড়া অনলাইনের বিভিন্ন জায়গায় ফল চাষ সম্পর্কে অনেক টিউটোরিয়াল পাওয়া যায়। সেগুলো ফলো করলেও স্বল্প পুঁজিতে ফল চাষ এর ব্যবসা শুরু করার বিষয়ে একটি ধারণা পাবেন।

মাছ চাষের মাধ্যমে আয় করা

আমরা মাছে ভাতে বাঙ্গালী। গ্রাম হোক কিংবা শহর খাবারের ক্ষেত্রে মাছের চাহিদা বাঙালির সবসময়ই। তাই মাছ চাষের মাধ্যমে ব্যবসা শুরু করে স্বাবলম্বী হওয়া সম্ভব। গ্রামের বাড়িতে বসে নিজস্ব কোন পুকুরে কিংবা কোন পুকুর ভাড়া নিয়ে স্বল্প পুঁজিতে মাছ চাষের ব্যবসা শুরু করে প্রচুর টাকা আয় করা সম্ভব।

মাছ চাষের মাধ্যমে দেশের অনেক তরুণ বেকারত্ব থেকে মুক্তি পেয়েছেন। স্থানীয় মৎস্য অফিসে যোগাযোগের মাধ্যম মাছ চাষের খুটিনাটি জেনে ও ট্রেনিং নিয়ে মাছ চাষের নেমে পড়তে পারেন। স্বল্প পুঁজিতে মাছ চাষের ব্যবসা করে প্রচুর টাকা আয় করা সম্ভব।

শেষ কথা

এই ছিল ঘরে বসে স্বল্প পুঁজিতে করা যায় এমন দশটি ব্যবসার আইডিয়া নিয়ে আমাদের আজকের এই পোস্ট। এই পোস্ট টি পড়ে থাকলে আপনারা স্বল্প পুঁজিতে ব্যবসা শুরু করার ব্যাপারে স্পষ্ট ধারণা পাবেন। পোস্টটি ভাল লেগে থাকলে আপনাদের সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন। কোন প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট বক্সে করতে ভুলবেন না।

আরও পড়ুন

3 thoughts on “অল্প পুঁজিতে গ্রামে বসে ব্যবসা করার ১০ টি আইডিয়া”

Leave a Comment

Share via
Copy link
Powered by Social Snap